প্রশ্নের বর্ণনা

a প্রাচীন যুগের শেষভাগে
b মধ্যযুগে
c আধুনিক যুগে
d অন্ধকার যুগে
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) মধ্যযুগে ১. কেন সঠিক: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসকে প্রাচীন, মধ্য ও আধুনিক এই তিন যুগে ভাগ করা হয়। এর মধ্যে মধ্যযুগে মুসলিম শাসকদের পৃষ্ঠপোষকতায় বাংলা ভাষায় প্রথম মুসলিম কবিরা সাহিত্য রচনা শুরু করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে সুলতানি ও নবাবী আমলে মুসলিম কবিরা রামায়ণ, মহাভারত ছাড়াও সুফি সাহিত্য ও ফার্সি কাব্যের ভাবানুবাদ করেন। শাহ মোহাম্মদ সগীর ছিলেন বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম কবি যিনি ইউসুফ জোলেখা কাব্য রচনা করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শাহ মোহাম্মদ সগীর রচিত ইউসুফ জোলেখা কাব্য। ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের মুসলিম কবি কর্তৃক রচিত প্রথম সার্থক বাংলা কাব্য। উদাহরণ ২: সৈয়দ সুলতান রচিত নবী বংশ কাব্য। ব্যাখ্যা: মধ্যযুগের আরেকজন বিখ্যাত মুসলিম কবি যিনি ইসলামী ইতিহাসভিত্তিক কাব্য রচনা করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রাচীন যুগের শেষভাগে — প্রাচীন যুগে মূলত চর্যাপদ রচিত হয়েছে যেখানে বৌদ্ধ সহজিয়া ধর্মের তত্ত্ব প্রকাশ পেয়েছে এবং কোনো মুসলিম কবির অস্তিত্ব ছিল না। B) মধ্যযুগে — এটি সঠিক কারণ এই যুগেই মুসলিম কবিদের আবির্ভাব ও সাহিত্যচর্চা প্রসার লাভ করে। C) আধুনিক যুগে — আধুনিক যুগ উনিশ শতক থেকে শুরু হয় এবং এ সময়ে মুসলিম কবিদের আবির্ভাব অনেক আগেই ঘটেছিল। D) অন্ধকার যুগে — বাংলা সাহিত্যে ত্রয়োদশ শতককে অন্ধকার যুগ বলা হয় যেখানে রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে তেমন কোনো সাহিত্যকর্মের নিদর্শন পাওয়া যায় না। ৫ মনে রাখার টিপস: মুসলিম কবি মানেই মধ্যযুগ। মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্য মুসলিম শাসকদের পৃষ্ঠপোষকতায় পুষ্ট হয়েছিল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম কবি শাহ মোহাম্মদ সগীর এবং তাঁর বিখ্যাত কাব্য ইউসুফ জোলেখা। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই তথ্যটি প্রায়ই আসে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0