প্রশ্নের বর্ণনা

a অন্তর্নিহিত তাৎপর্য তুলে ধরা
b ভাবের অংশ প্রকাশ করা
c বাইরের ভাব বিশ্লেষন করা
d অন্যভাব ফুটিয়ে তোলা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অন্তর্নিহিত তাৎপর্য তুলে ধরা ১. কেন সঠিক: - সারাংশের মূল কাজ হলো কোনো বড় রচনার মূল ভাব বা ভেতরের গভীর অর্থকে সংক্ষিপ্ত ও স্পষ্ট করে ফুটিয়ে তোলা। - এটি কেবল শব্দের সংক্ষিপ্ত রূপ নয়, বরং লেখকের মূল বক্তব্য বা ভেতরের তাৎপর্য পাঠকের কাছে সহজভাবে তুলে ধরে। ২. ব্যাকরণ বা সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সারাংশ হলো কোনো দীর্ঘ অনুচ্ছেদ, প্রবন্ধ বা নিবন্ধের মূল বক্তব্যকে কম কথায় সুন্দরভাবে প্রকাশ করার একটি শিল্প মাধ্যম। - এতে অপ্রয়োজনীয় বর্ণনা, উদাহরণ বা অলংকার বাদ দিয়ে শুধু মূল তাৎপর্য রক্ষা করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দেশপ্রেম নিয়ে কোনো বড় রচনার সারাংশ লেখার সময় রূপক বা উদাহরণের ভিড় বাদ দিয়ে শুধু দেশের প্রতি মানুষের আত্মত্যাগের মূল তাৎপর্য তুলে ধরতে হয়। ব্যাখ্যা: এটি রচনার ভেতরের মূল সুর বা অন্তর্নিহিত তাৎপর্যকে প্রকাশ করে। উদাহরণ ২: মানুষের নৈতিকতা বিষয়ক একটি নিবন্ধের সারাংশে তার নৈতিক শিক্ষার মূল বার্তাটি তুলে ধরা হয়। ব্যাখ্যা: এটি রচনার আসল তাৎপর্য ফুটিয়ে তোলে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অন্তর্নিহিত তাৎপর্য তুলে ধরা — এটি সঠিক কারণ সারাংশের মূল লক্ষ্য রচনার ভেতরের গভীর অর্থ প্রকাশ করা। B) ভাবের অংশ প্রকাশ করা — সারাংশ কোনো অংশের ভাব প্রকাশ করে না, বরং সম্পূর্ণ রচনার মূল ভাব প্রকাশ করে। C) বাইরের ভাব বিশ্লেෂন করা — সারাংশে বাইরের ভাব বা অতিরিক্ত বিশ্লেষণ করা হয় না, ভেতরের মূল ভাব আনা হয়। D) অন্যভাব ফুটিয়ে তোলা — সারাংশে নতুন বা অন্য কোনো ভাব ফুটিয়ে তোলা হয় না, মূল রচনার ভাবই প্রকাশ করা হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - সারাংশ মানে হলো সা + অংশ, অর্থাৎ মূল অংশের সারকথা বা ভেতরের তাৎপর্য। - বড় কিছুকে ছোট করে তার ভেতরের গভীর অর্থ প্রকাশ করাই হলো সারাংশ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - সারাংশ সব সময় মূল রচনার এক-তৃতীয়াংশ আকারে লিখতে হয় এবং এতে লেখকের নিজস্ব কোনো মতামত বা নতুন ভাব যোগ করা যায় না। - পরীক্ষার জন্য মনে রাখতে হবে সারাংশ মানে অন্তর্নিহিত তাৎপর্য বা মূল ভাব।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0