প্রশ্নের বর্ণনা

a কর্মে ২য়া
b অপাদানে ২য়া
c কর্মে ৪র্থী
d অপাদানে ৫মী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অপাদানে ২য়া ১. কেন সঠিক: - বাক্যে ভয় পাওয়া, উৎপন্ন হওয়া, চ্যুত হওয়া, গৃহিত হওয়া, বিরত থাকা, রক্ষিত হওয়া বা ভীতি উৎপন্ন হওয়ার অর্থে অপাদান কারক হয়। - ‘বাবাকে’ শব্দটিতে ভয় পাওয়ার ভাব প্রকাশ পাওয়ায় এটি অপাদান কারক এবং শব্দের সঙ্গে ‘কে’ বিভক্তি যুক্ত থাকায় এটি দ্বিতীয় বিভক্তি হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত, বিরত, গৃহিত, উৎপন্ন, রক্ষিত বা যার থেকে কেউ ভীত হয়, তাকে অপাদান কারক বলে। - শব্দের শেষে কে বা রে বিভক্তি যুক্ত থাকলে এবং তার অর্থ যদি দ্বিতীয় বিভক্তির মতো কর্ম বা প্রাপ্তি না বুঝিয়ে বিভক্তি নির্দেশ করে, তবে তা দ্বিতীয় বিভক্তি হিসেবে গণ্য হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরকে বড় ভয় পায়। ব্যাখ্যা: এখানে চোরের ভয়ে ভীত হওয়া বোঝানোয় ‘চোরকে’ পদটি অপাদানে দ্বিতীয় বিভক্তি। উদাহরণ ২: বনে বাঘ ভয় পায় না সাহসী মানুষ। ব্যাখ্যা: ভয়ের উৎস বা ক্ষেত্র বোঝাতে অপাদান কারক ব্যবহৃত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর্মে ২য়া — কর্ম কারকে দ্বিতীয় বিভক্তি হয় যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে, কিন্তু এখানে ভয় পাওয়ার ভাব থাকায় এটি কর্ম নয়। C) কর্মে ৪র্থী — চতুর্থী বিভক্তি সাধারণত কে বা রে এর পরিবর্তে জন্য বা নিমিত্ত অর্থে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। D) অপাদানে ৫মী — অপাদান কারক ঠিক থাকলেও ‘কে’ বিভক্তি কখনো পঞ্চমী বিভক্তি হতে পারে না, পঞ্চমী বিভক্তি হলো হইতে, থেকে বা চেয়ে। ৫ মনে রাখার টিপস: - ভয়ে ভীত হওয়া বা পালানোর ভাব বুঝলেই চোখ বন্ধ করে অপাদান কারক দাগাবে। - কে বা রে বিভক্তি থাকলে এবং তা ভয় বা ভীতি বোঝালে তা অপাদানে দ্বিতীয় বিভক্তি হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভয় পাওয়া সংক্রান্ত কারক প্রায়ই আসে। - বাক্যে ভয়ের উৎস চিহ্নিত করতে পারলে অপাদান কারক নির্ণয় করা সহজ হয়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0