প্রশ্নের বর্ণনা

a সম্প্রদানে ৭মী
b কর্মে ৭মী
c কর্তায় ৭মী
d অপাদানে ৭মী
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সম্প্রদানে ৭মী ১. কেন সঠিক: - এই বাক্যে রতন বলতে গুণী বা জ্ঞানী ব্যক্তিকে বোঝানো হয়েছে, যা অপর একজন গুণী ব্যক্তিকে চেনে বা সম্মান করে। স্বত্ব ত্যাগ করে বা শর্তহীনভাবে কোনো কিছু প্রদান করা বোঝালে সম্প্রদান কারক হয়। - এখানে গুণের প্রতি গুণীর সম্মান প্রদর্শনের ক্ষেত্রে স্বার্থহীন বা নিঃশর্ত প্রাপ্তি বোঝানো হয়েছে, তাই এটি সম্প্রদান কারক এবং এতে সপ্তমী বিভক্তির ব্যবহার হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যাকে স্বত্ব ত্যাগ করে দান বা কিছু প্রদান করা হয়, তাকে সম্প্রদান কারক বলে। সাধারণত গ্রহীতা যদি নিঃস্বার্থভাবে কিছু পায় তবে তা সম্প্রদান কারক হয়। - শব্দের শেষে এ, য়, তে ইত্যাদি যুক্ত থাকলে তাকে সপ্তমী বা ৭মী বিভক্তি বলা হয়। রতনে শব্দে মূল শব্দের সঙ্গে এ বিভক্তি যুক্ত রয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অন্ধজনে দেহ আলো। ব্যাখ্যা: অন্ধ ব্যক্তিকে আলো বা দৃষ্টি দান করার ক্ষেত্রে কোনো প্রতিদান চাওয়া হয় না, তাই এটি সম্প্রদান কারকে সপ্তমী বিভক্তি। উদাহরণ ২: ভিখারীকে ভিক্ষা দাও। ব্যাখ্যা: ভিখারীকে নিঃস্বার্থভাবে দান করা বোঝানোর কারণে এটি সম্প্রদান কারকে চতুর্থী বা সপ্তমী বিভক্তির উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সম্প্রদানে ৭মী — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে নিঃস্বার্থভাবে গুণী ব্যক্তির দ্বারা গুণী ব্যক্তিকে চেনার অর্থ প্রকাশ পেয়েছে এবং এ বিভক্তি যুক্ত আছে। B) কর্মে ৭মী — কর্ম কারক হলো যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে, কিন্তু এখানে কর্মের কোনো অবজেক্ট বা সরাসরি কর্ম সম্পাদনের বিষয় নেই। C) কর্তায় ৭মী — কর্তা নিজে যখন সরাসরি ক্রিয়া সম্পাদন করে তখন কর্তা কারক হয়, কিন্তু এখানে চেনার কাজটি বিশেষ অর্থে সম্প্রদান কারকের আওতাভুক্ত। D) অপাদানে ৭মী — অপাদান কারক বলতে যা থেকে কিছু বিচ্যুত, জাত, ভীত বা রক্ষিত হয় তা বোঝায়, যা এই প্রবচনের অর্থের সঙ্গে মেলে না। ৫. মনে রাখার টিপস: - নিঃস্বার্থ দান, ভক্তি বা গুণের কদর বোঝাতে সম্প্রদান কারক ব্যবহার করা হয়। - শব্দের শেষে এ বা তে বিভক্তি দেখলে এবং তা দাতা ও গ্রহীতার সম্পর্ক বোঝালে সপ্তমী বিভক্তি ধরে নিতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রবাদ-প্রবচন থেকে কারক নির্ণয় প্রায়ই আসে। - এ ধরনের প্রশ্ন সমাধানের জন্য প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ না বুঝে এর অন্তর্নিহিত ভাবার্থ ও কারকের সংজ্ঞার মিল খুঁজতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0