প্রশ্নের বর্ণনা

a করণে শূন্য
b অধিকরণে শূন্য
c কর্মে শূন্য
d অপাদানে শূন্য
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কর্মে শূন্য ১. কেন সঠিক: ক্রিয়াপদকে কী বা কাগকে দ্বারা প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তা কর্মকারক। এখানে খালেদ কী পড়ে প্রশ্নের উত্তরে 'বই' শব্দটি এসেছে এবং এর সাথে কোনো বিভক্তি যুক্ত না থাকায় এটি শূন্য বিভক্তি। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে, তাকে কর্মকারক বলে এবং শব্দের সাথে কোনো বিভক্তি যুক্ত না থাকলে তাকে প্রথমা বা শূন্য বিভক্তি ধরা হয়। ক্রিয়ার সাথে কর্মের সরাসরি সম্পর্ক থাকে এবং বাক্যের মূল অর্থ প্রকাশ করতে কর্মকারক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ডাক্তার ডাকো। ব্যাখ্যা: কাকে ডাকবে প্রশ্নের উত্তরে ডাক্তার কর্মকারক এবং এতে কোনো বিভক্তি নেই বিধায় শূন্য বিভক্তি। উদাহরণ ২: ফুল তুলছি। ব্যাখ্যা: কী তুলছ প্রশ্নের উত্তরে ফুল কর্মকারক এবং এর সাথে কোনো বিভক্তি যুক্ত না থাকায় শূন্য বিভক্তি। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) করণের শূন্য — করণ কারক হলো যার দ্বারা বা সাহায্যে ক্রিয়া সম্পন্ন হয়, কিন্তু এখানে কোনো মাধ্যমের কথা বলা হয়নি। B) অধিকরণের শূন্য — অধিকরণ কারক স্থান বা সময় নির্দেশ করে, যা এই বাক্যের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। C) কর্মে শূন্য — এটি সঠিক কারণ এখানে বই পড়ার কর্ম বোঝাচ্ছে এবং কোনো বিভক্তি নেই। D) অপাদানে শূন্য — অপাদান কারক থেকে, হতে বা দূরে সরে যাওয়া বোঝায়, যা এখানে নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: ক্রিয়াপদকে কী বা কাকে দিয়ে প্রশ্ন করে যে উত্তর পাওয়া যায়, তা হলো কর্মকারক। বিভক্তি চিহ্ন স্পষ্ট না থাকলে বুঝতে হবে সেখানে শূন্য বিভক্তি রয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কারক নির্ণয়ের জন্য প্রথমে ক্রিয়াপদকে প্রশ্ন করার কৌশল আয়ত্ত করতে হবে। একই নিয়মে ডাক্তার ডাকো, ফুটবল খেলি ইত্যাদি বাক্যের কারক সহজে নির্ণয় করা যায়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0