প্রশ্নের বর্ণনা

a কর্মে দ্বিতীয়
b অপাদানে দ্বিতীয়া
c কর্মে চতুর্থী
d অপাদানে সপ্তমী
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অপাদানে দ্বিতীয়া ১. কেন সঠিক: ভয় পাওয়া, আতঙ্কিত হওয়া বা দূরে সরে যাওয়া বোঝালে অপাদান কারক হয়। বাক্যে 'বাবাকে' শব্দটি দ্বারা ভয় পাওয়ার উৎস বা ভয়ের ক্ষেত্র বোঝানো হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যাহা হইতে কিছু বিচ্যুত, জাত, বিরত, রক্ষিত, ভীত বা উৎপন্ন হয়, তাহাকেই অপাদান কারক বলে। কর্মকারকের ক্ষেত্রে সাধারণত দ্বিতীয় বিভক্তি যুক্ত হলেও ভয়ের ক্ষেত্রে অপাদান কারকে দ্বিতীয় বিভক্তি হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরকে বড় ভয় পায়। ব্যাখ্যা: এখানে চোর ভয়ের উৎস হওয়ায় এটি অপাদানে দ্বিতীয়া কারক। উদাহরণ ২: বিপদে মোরে রক্ষা করো। ব্যাখ্যা: বিপদ থেকে রক্ষার ক্ষেত্রে অপাদান কারক এবং মোরে শব্দে দ্বিতীয় বিভক্তি হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কর্মে দ্বিতীয় — কর্মকারকে দ্বিতীয় বিভক্তি হয় কিন্তু ভয়ের ক্ষেত্র বোঝালে তা অপাদান কারক হয়ে যায়। B) অপাদানে দ্বিতীয়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ ভয় পাওয়ার উৎস বোঝালে অপাদান কারক হয় এবং কে বা রে বিভক্তি থাকায় তা দ্বিতীয়া বিভক্তি। C) কর্মে চতুর্থী — চতুর্থী বিভক্তি মূলত নিমিত্ত অর্থে ব্যবহৃত হয় কিন্তু এখানে নিমিত্ত বা স্বত্বত্যাগ বোঝায়নি। D) অপাদানে সপ্তমী — অপাদান কারক হলেও 'বাবাকে' শব্দে এ, য়, তে ইত্যাদি সপ্তমী বিভক্তির চিহ্ন নেই। ৫. মনে রাখার টিপস: বাক্যে ভয় পাওয়া, রক্ষা পাওয়া, জাত বা উৎপন্ন হওয়া বুঝলে চোখ বন্ধ করে অপাদান কারক দাগাবে। কে বা রে বিভক্তি থাকলে তা দ্বিতীয়া বিভক্তি হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কারক নির্ণয়ের ক্ষেত্রে ভয় পাওয়া শব্দটি খুবই কমন একটি ব্যতিক্রমী নিয়ম। ভীতি, উৎপন্ন ও গৃহিত হলে সবসময় অপাদান কারক হয়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0