প্রশ্নের বর্ণনা

a অযৌক্তিক
b প্রাসঙ্গিক
c যৌক্তিক
d অপ্রাসঙ্গিক
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্রাসঙ্গিক ১. কেন সঠিক: ভাব-সম্প্রসারণ হলো কোনো গূঢ় বা ভাবগম্ভীর পংক্তির মূল অর্থ বিস্তারিতভাবে ফুটিয়ে তোলার প্রক্রিয়া। এই প্রক্রিয়ায় প্রদত্ত মূল ভাবের বাইরে বা অপ্রাসঙ্গিক কোনো কথা লেখা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ, তাই বিষয়বস্তু অবশ্যই প্রাসঙ্গিক হতে হবে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: ভাব-সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে মূল ভাবের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিশ্লেষণ, উপমা বা উদাহরণের অবতারণা করতে হয়। মূল কথাটিকে কেন্দ্র করেই পুরো লেখার পরিসর আবর্তিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পরিশ্রম সৌভাগ্যের প্রসূতি। এই ভাব-সম্প্রসারণে কেবল পরিশ্রমের গুরুত্ব ও এর ফল নিয়ে প্রাসঙ্গিক আলোচনা করতে হবে। ব্যাখ্যা: এখানে অতিরিক্ত হিসেবে রাজনীতি বা দর্শনের অপ্রাসঙ্গিক বিষয় আনা যাবে না, কেবল পরিশ্রমের দিকটিই ফুটিয়ে তুলতে হবে। উদাহরণ ২: দুর্নীতি জাতির সব উন্নয়নের অন্তরায়। এই ভাব-সম্প্রসারণে দুর্নীতির কুফল ও এর প্রতিকার নিয়ে প্রাসঙ্গিক কথা বলতে হবে। ব্যাখ্যা: এখানে ব্যক্তিগত জীবনের সাধারণ সুখ-দুঃখের কথা না বলে সামগ্রিক উন্নয়ন ও দুর্নীতির সম্পর্ক তুলে ধরতে হবে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অযৌক্তিক — ভাব-সম্প্রসারণে কোনো অযৌক্তিক বা কাল্পনিক তথ্য গ্রহণযোগ্য নয়, কারণ এটি সুনির্দিষ্ট ভাব প্রকাশ করে। B) প্রাসঙ্গিক — এটি সঠিক কারণ ভাব-সম্প্রসারণের মূল শর্ত হলো প্রদত্ত পংক্তির সঙ্গে সংগতিপূর্ণ বিষয়বস্তু উপস্থাপন করা। C) যৌক্তিক — যৌক্তিক হওয়া ভালো হলেও ভাব-সম্প্রসারণের প্রধান শর্ত হলো মূল ভাবের সঙ্গে প্রাসঙ্গিক বা সংগতিপূর্ণ হওয়া। D) অপ্রাসঙ্গিক — অপ্রাসঙ্গিক বিষয়বস্তু থাকলে ভাব-সম্প্রসারণের মূল উদ্দেশ্য নষ্ট হয় এবং উত্তরপত্র বাতিল হতে পারে। ৫. মনে রাখার টিপস: ভাব-সম্প্রসারণ লেখার সময় মূল ভাবকে কেন্দ্র করে চারপাশ সাজাতে হয়। মূল বিষয়ের বাইরে যাওয়া যাবে না, তাই মনে রাখবে ভাব-সম্প্রসারণ মানেই হলো প্রাসঙ্গিক কথার বিস্তার। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখার দক্ষতার অংশ হিসেবে ভাব-সম্প্রসারণের মূল বিষয়বস্তু কী হওয়া উচিত তা প্রায়ই এমসিকিউ আকারে আসে। মূল ভাব থেকে বিচ্যুত না হয়ে প্রাসঙ্গিকতা বজায় রাখাই এখানে সবচেয়ে বড় কৌশল।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0