প্রশ্নের বর্ণনা

a দ্বন্দ্ব সমাস
b দ্বিগু সমাস
c কর্মধারয় সমাস
d অব্যয়ীভাব সমাস
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কর্মধারয় সমাস ১. কেন সঠিক: - 'মুজিববর্ষ' শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো মুজিব যে বর্ষ। এখানে বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলনে কর্মধারয় সমাস গঠিত হয়েছে। - জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনের জন্য নির্ধারিত বিশেষ বছরকে বুঝাতে এই পদটি ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে সমাসে পরপদের অর্থ প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয় এবং পূর্বপদে বিশেষণ ও পরপদে বিশেষ্য পদ থাকে, তাকে কর্মধারয় সমাস বলে। - এখানে 'মুজিব' বিশেষ্য পদ এবং 'বর্ষ' বিশেষ্য পদ হলেও বিশেষ অর্থ বা উপাধির ক্ষেত্রে এটি কর্মধারয় সমাসের রূপবাচক বা বিশেষ নিয়ম হিসেবে গণ্য হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিষাদসিন্ধু ব্যাখ্যা: বিষাদরূপ সিন্ধু, যা রূপক কর্মধারয় সমাসের একটি প্রমিত উদাহরণ। উদাহরণ ২: মহাপুরুষ ব্যাখ্যা: মহান যে পুরুষ, এটি সাধারণ কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ যেখানে পূর্বপদ বিশেষণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দ্বন্দ্ব সমাস — দ্বন্দ্ব সমাসে উভয় পদের অর্থের প্রাধান্য থাকে, যা এখানে অনুপস্থিত। B) দ্বিগু সমাস — দ্বিগু সমাসে সমাসবদ্ধ পদের প্রথমে সংখ্যাবাচক শব্দ থাকে এবং সমাহার বোঝায়, যা এখানে নেই। D) অব্যয়ীভাব সমাস — অব্যয়ীভাব সমাসে অব্যয়ের অর্থ প্রধান হয়, কিন্তু এখানে বিশেষ্য পদের প্রাধান্য রয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা নামের সঙ্গে 'বর্ষ' বা 'দিবসে'র নাম যুক্ত থাকলে সাধারণত কর্মধারয় সমাস হয়। - সমাস নির্ণয়ের সময় প্রথমে পদের অর্থ ও ব্যাসবাক্য চিন্তা করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলনে সৃষ্ট নামবাচক সমাসগুলো প্রায়শই কর্মধারয় সমাস হয়। - বিসিএস পরীক্ষায় এ ধরনের শব্দের ব্যাসবাক্য ও সমাসের নাম প্রায়ই আসে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0