প্রশ্নের বর্ণনা

a প্রাদি সমাস
b নিত্য সমাস
c অলুক তৎপুরুষ
d অব্যয়ীভাব
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নিত্য সমাস ১. কেন সঠিক: - যে সমাসে সমস্ত পদটি ভেঙে ব্যাসবাক্য করতে হয় না অথবা অন্য পদের সাহায্য নিতে হয় না এবং সমাসবদ্ধ পদটি চিরকাল সমাসবদ্ধ অবস্থাতেই থাকে, তাকে নিত্য সমাস বলে। - 'বিরানব্বই' শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো 'নব্বই ও ৯০' বা কেবল 'অন্য নব্বই', যা সাধারণ নিয়মের বাইরে একটি বিশেষ সংখ্যাবাচক শব্দ হিসেবে নিত্য সমাস সাধিত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে সমাসের ব্যাসবাক্য হয় না কিংবা ব্যাসবাক্য করতে গেলে অন্য পদের সাহায্য নিতে হয়, তাকে নিত্য সমাস বলে। - সংখ্যাবাচক শব্দের ক্ষেত্রে অনেক সময় বিশেষ নিয়ম বা প্রমিত রীতি অনুযায়ী নিত্য সমাস গঠিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১:ান্তর ব্যাখ্যা: এটি নিত্য সমাসের একটি বহুল ব্যবহৃত উদাহরণ, যার ব্যাসবাক্য 'অন্য অন্তর'। উদাহরণ ২: কেবল দর্শন ব্যাখ্যা: এর সমাসবদ্ধ রূপ 'দর্শনমাত্র', যা নিত্য সমাসের নিয়মে সাধিত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রাদি সমাস — প্র, পরা, অপ ইত্যাদি উপসর্গ প的和 ধাতুর পূর্বে যুক্ত হয়ে যে সমাস গঠিত হয় তাকে প্রাদি সমাস বলে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। B) নিত্য সমাস — এটি সঠিক অপশন এবং এর ব্যাখ্যা উপরে প্রদান করা হয়েছে। C) অলুক তৎপুরুষ — যে তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পায় না, তাকে অলুক তৎপুরুষ বলে যেমন গায়েপড়া, যা এই শব্দের সঙ্গে মেলে না। D) অব্যয়ীভাব — পূর্বপদে অব্যয় যোগে এবং অব্যয়ের অর্থ প্রধান হয়ে যে সমাস হয় তাকে অব্যয়ীভাব বলে, যা এখানে অনুপস্থিত। ৫. মনে রাখার টিপস: - সংখ্যাবাচক শব্দ যখন নিজস্ব নিয়মে ব্যাসবাক্য ছাড়া গঠিত হয়, তখন চোখ বন্ধ করে নিত্য সমাস দাগাবে। - নিত্য সমাস চেনার সহজ উপায় হলো এর ব্যাসবাক্যে 'অন্য' বা 'মাত্র' শব্দগুলো বেশি ব্যবহৃত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং ব্যাংক পরীক্ষায় সংখ্যাবাচক নিত্য সমাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - 'অন্য গ্রাম' (গ্রামান্তর) এবং 'অন্য মন' (অন্যমনা) শব্দ দুটিও নিত্য সমাসের চমৎকার উদাহরণ।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0