প্রশ্নের বর্ণনা

a উপমিত কর্মধারয়
b অলুক তৎপুরুষ
c বহুব্রীহি
d অব্যয়ীভাব
0 16 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অলুক তৎপুরুষ ১. কেন সঠিক: - চোখের বালি শব্দটিতে চোখের অর্থাৎ চোখ শব্দের সঙ্গে ষষ্টি বিভক্তির এর যুক্ত আছে এবং সমাসবদ্ধ পদেও এই বিভক্তি লোপ পায়নি। - অলুক তৎপুরুষ সমাসের সংজ্ঞানুযায়ী যে তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পায় না, তাকে অলুক তৎপুরুষ সমাস বলে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - যে তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদের বিভক্তি (কে, রে, র, এর ইত্যাদি) সমাস করার পরেও লোপ পায় না, তাকে অলুক তৎপুরুষ সমাস বলা হয়। - চোখের বালি শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো চোখে বালি বা চোখের বালি, যেখানে বিভক্তি অপরিবর্তিত থাকে এবং এটি একটি বিশেষ অর্থ বা বাগধারা হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঘিয়ে ভাজা ব্যাখ্যা: ঘিয়ে ভাজা শব্দটিতে পূর্বপদের এ বিভক্তি লোপ পায়নি, তাই এটি অলুক তৎপুরুষ সমাস। উদাহরণ ২: মনে করা ব্যাখ্যা: মনে করা শব্দটিতে পূর্বপদের এ বিভক্তি বহাল রয়েছে, যা অলুক তৎপুরুষ সমাসের নিয়মকে সমর্থন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উপমিত কর্মধারয় — উপমিত কর্মধারয় সমাসে সাধারণ ধর্মের উল্লেখ থাকে না এবং এটি ভিন্ন নিয়ম অনুসরণ করে। B) অলুক তৎপুরুষ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এখানে বিভক্তি লোপ পায় না। C) বহুব্রীহি — বহুব্রীহি সমাসে অন্য পদের অর্থ প্রাধান্য পায়, কিন্তু এখানে তা হয় না। D) অব্যয়ীভাব — অব্যয়ীভাব সমাসে পূর্বপদে অব্যয় যুক্ত হয়ে সমাস গঠিত হয়, যা এই শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - ব্যাসবাক্যের পদে বিভক্তি থাকলে এবং সমাসবদ্ধ পদেও সেই বিভক্তি বহাল থাকলে চোখ বন্ধ করে অলুক সমাস চিহ্নিত করবে। - তৎপুরুষ সমাসের ক্ষেত্রে বিভক্তি লোপ না পেলে তাকে অলুক তৎপুরুষ বলতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অলুক সমাস থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই বিভক্তিযুক্ত শব্দগুলো ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে। - গায়ে হলুদ, ঘিয়ে ভাজা, কলের গান প্রভৃতি শব্দগুলোও অলুক তৎপুরুষ সমাসের গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0