প্রশ্নের বর্ণনা

a দ্বন্দ্ব
b দ্বিগু
c দ্বিতীয়া তৎপুরুষ
d অব্যয়ীভাব
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) দ্বিতীয়া তৎপুরুষ ১. কেন সঠিক: - চিরসুখী শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো চিরকাল ব্যাপিয়া সুখী, যেখানে ব্যাপ্তি অর্থে দ্বিতীয় (কে) বিভক্তি লোপ পেয়েছে। - তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পেয়ে পরপদের অর্থ প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয় এবং এখানে কাল ব্যাপ্তি বোঝাতে দ্বিতীয় বিভক্তি যুক্ত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে সমাসে পূর্বপদের বিভক্তি (যেমন কে রে) লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয়, তাকে দ্বিতীয় তৎপুরুষ সমাস বলে। - কালবাচক শব্দে ব্যাপ্তি বা সময়ব্যাপী বোঝালে সাধারণত দ্বিতীয় তৎপুরুষ সমাস হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চিরকালব্যাপী সুখী = চিরসুখী ব্যাখ্যা: এখানে চিরকাল শব্দের সঙ্গে ব্যাপ্তি বোঝাতে দ্বিতীয় বিভক্তি যুক্ত হয়েছে এবং সমাসের সময় তা লোপ পেয়েছে। উদাহরণ ২: স্বর্গগত = স্বর্গকে গত ব্যাখ্যা: এখানে গতি বা প্রাপ্তি অর্থে পূর্বপদের দ্বিতীয় বিভক্তি লোপ পেয়ে দ্বিতীয় তৎপুরুষ সমাস গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দ্বন্দ্ব — দ্বন্দ্ব সমাসে উভয় পদের অর্থের প্রাধান্য থাকে, কিন্তু চিরসুখী শব্দে পরপদের অর্থ প্রধান। B) দ্বিগু — দ্বিগু সমাসে সমাহার বা সমষ্টি বোঝায় এবং পূর্বপদ সংখ্যাবাচক হয়, যা এখানে অনুপস্থিত। D) অব্যয়ীভাব — অব্যয়ীভাব সমাসে পূর্বপদে অব্যয় বসে এবং অব্যয়ের অর্থ প্রধান হয়, যা এই পদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ব্যাসবাক্যে যদি ব্যাপিয়া বা কালব্যাপী কথাটি থাকে, তবে চোখ বন্ধ করে দ্বিতীয় তৎপুরুষ সমাস দাগাবে। - সময় বোঝাতে চিরকালব্যাপী, সারা জীবনব্যাপী শব্দগুলো দ্বিতীয় তৎপুরুষের নির্দেশক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় চিরসুখী, চিরকালব্যাপী শব্দগুলোর সমাস প্রায়ই আসে। - ব্যাসবাক্য নির্ণয় করার সময় বিভক্তির উপস্থিতি খেয়াল রাখলে তৎপুরুষ সমাস সহজেই আলাদা করা যায়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0