প্রশ্নের বর্ণনা

a দ্বন্দ্ব সমাস
b নিত্য সমাস
c বহুব্রীহি সমাস
d অব্যয়ীভাব সমাস
0 14 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অব্যয়ীভাব সমাস ১. কেন সঠিক: - যে সমাসে পূর্বপদে অব্যয় যোগ হয় এবং সেই অব্যয়ের অর্থই প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয়, তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে। - 'বেহায়া' শব্দটিতে 'বে' একটি ফার্সি উপসর্গ বা অব্যয়, যা বিশেষ্য পদের পূর্বে বসে লজ্জাহীনতা বা অভাব অর্থ প্রকাশ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - অব্যয়ীভাব সমাসে সাধারণত পূর্বপদের অর্থ প্রধান থাকে এবং সমস্ত পদটি অব্যয় পদের ন্যায় আচরণ করে। - উপসর্গ বা অব্যয় যোগে গঠিত হয়ে অনেক সময় এটি বিশেষণ পদের মতো কাজ করলেও এর মূল ব্যাকরণগত শ্রেণি অব্যয়ীভাব সমাস হিসেবে নির্ধারিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আলুনি ব্যাখ্যা: লবণের অভাব অর্থে 'আ' উপসর্গ যোগে অব্যয়ীভাব সমাস গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: বেলাগাম ব্যাখ্যা: লাগামের অভাব অর্থে 'বে' উপসর্গ যোগে অব্যয়ীভাব সমাস সাধিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দ্বন্দ্ব সমাস — যে সমাসে উভয় পদের অর্থের প্রাধান্য থাকে তাকে দ্বন্দ্ব সমাস বলে, কিন্তু বেহায়া শব্দে উভয় পদের অর্থ প্রধান নয়। B) নিত্য সমাস — যে সমাসে সমাসবদ্ধ পদগুলো সব সময় সমসমান পদেই থাকে এবং ব্যাসবাক্যের প্রয়োজন হয় না, এটি তা নয়। C) বহুব্রীহি সমাস — যে সমাসে পূর্বপদ বা পরপদ কোনোটির অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোনো পদকে বোঝায়, বেহায়া শব্দে তা বোঝায় না। D) অব্যয়ীভাব সমাস — এটি সঠিক কারণ এখানে অব্যয় যোগে সমাস গঠিত হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - শব্দের শুরুতে বে, আ, নি, উপ, প্রতি থাকলে এবং অভাব বা সামীপ্য বোঝালে সাধারণত অব্যয়ীভাব সমাস হয়। - উপসর্গযুক্ত শব্দ দেখলেই অব্যয়ীভাব সমাসের কথা মাথায় রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপসর্গযুক্ত বিশেষ করে ফার্সি ও আরবি উপসর্গ যোগে গঠিত অব্যয়ীভাব সমাস প্রায়ই আসে। - সমস্ত পদটির ব্যাসবাক্য নির্ণয় করার সময় উপসর্গটির অর্থ (যেমন অভাব, সামীপ্য, ক্ষুদ্র ইত্যাদি) ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0