প্রশ্নের বর্ণনা

a পঞ্চত্বপ্রাপ্ত
b সর্বগ্রাসী
c অম্বুদ
d অভঞ্জন
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) পঞ্চত্বপ্রাপ্ত ১. কেন সঠিক: 'মৃত্যু' শব্দের অন্যতম একটি অর্থবোধক প্রতিশব্দ হলো 'পঞ্চত্বপ্রাপ্ত'। মানবদেহ ক্ষিতিজলপমরুৎব্যোম নামক পঞ্চভূত বা পাঁচ উপাদান দিয়ে গঠিত, যা মৃত্যুর পর সেই পঞ্চভূতে বিলীন হয়ে যায়, এই ধারণার ওপর ভিত্তি করে মৃত্যুকে পঞ্চত্বপ্রাপ্তি বলা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি সমার্থক শব্দ বা প্রতিশব্দের আওতাভুক্ত একটি প্রশ্ন। সমার্থক শব্দ হলো সেই শব্দসমূহ যাদের বানান ও উচ্চারণ আলাদা হলেও অর্থ একই বা প্রায় একই হয়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভাষার ভাণ্ডার যাচাই করতে এবং ভাব প্রকাশের দক্ষতা বাড়াতে এই ধরনের শব্দ প্রায়ই আসে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তেরাত্তির ব্যাখ্যা: এটি মৃত্যুর সমার্থক একটি বিশেষ শব্দ, যা সাধারণত মানুষের মৃত্যুর তিন দিন বা মৃত্যুর আগের বা পরের অবস্থাকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: পরলোকগমন ব্যাখ্যা: এটি মৃত্যুর একটি শিষ্ট ও প্রতিশব্দমূলক রূপ, যা সাধারণত কোনো ব্যক্তির মৃত্যুর পর তার আত্মর পরলোকে চলে যাওয়া বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পঞ্চত্বপ্রাপ্ত — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এর অর্থ মৃত্যু বা পঞ্চভূতে বিলীন হওয়া। B) সর্বগ্রাসী — এর অর্থ যা সবকিছু গ্রাস করে বা ধ্বংস করে, এটি মৃত্যুর প্রতিশব্দ নয় বরং মৃত্যুর বিশেষণ হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে। C) অম্বুদ — এর অর্থ মেঘ, যার সাথে মৃত্যুর কোনো সরাসরি সমার্থক সম্পর্ক নেই। D) অভঞ্জন — এর অর্থ যা ভঙ্গ বা ভাঙা যায় না, অর্থাৎ যা অবিনশ্বর। ৫. মনে রাখার টিপস: মানুষের দেহ পঞ্চভূত বা পাঁচ উপাদানে গঠিত বলে মৃত্যুর অপর নাম পঞ্চত্বপ্রাপ্তি। এই মিল মনে রাখলে উত্তর বের করা সহজ হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মৃত্যুর সমার্থক শব্দ হিসেবে পঞ্চত্বপ্রাপ্ত, পরলোকগমন, ইন্তেকাল ও প্রয়াণ শব্দগুলো বেশি আসে। এগুলোর উৎস ও ব্যবহার সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা রাখা উচিত।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0