প্রশ্নের বর্ণনা

a পাঞ্জাবের অধিবাসী
b জামা বিশেষ
c মৌলভীদের পিরাণ
d অভিজ্ঞতাসম্পন্ন বয়স্ক ব্যক্তি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) জামা বিশেষ ১. কেন সঠিক: উৎপত্তিগত অর্থ বা বু্যৎপত্তিগত অর্থ বজায় না রেখে যে শব্দ প্রত্যয় বা উপসর্গ যোগে ভিন্ন কোনো বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে, তাকে রূঢ়ি শব্দ বলে। পাঞ্জাবি শব্দটি পাঞ্জাব প্রদেশের অধিবাসী বা ভাষার সঙ্গে সম্পর্কিত হলেও বাংলায় এটি একটি নির্দিষ্ট ধরনের পুরুষদের পরিধেয় জামা বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যেসব শব্দ প্রত্যয় বা উপসর্গ যোগে মূল শব্দের অর্থের অনুগামী না হয়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন কোনো অর্থ প্রকাশ করে, সেগুলোকে রূঢ়ি শব্দ বলে। বাংলা ভাষায় প্রচলিত রূঢ়ি শব্দগুলো শব্দের উৎস ও অর্থের রূপান্তর প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তৈল ব্যাখ্যা: তিল থেকে উৎপন্ন যেকোনো স্নেহপদার্থ না বুঝিয়ে কেবল তিলের স্নেহপদার্থ বা তেল অর্থ প্রকাশ করায় এটি রূঢ়ি শব্দ। উদাহরণ ২: গবেষণা ব্যাখ্যা: গূঢ় অর্থে গরু অন্বেষণ করা না বুঝিয়ে ব্যাপক পড়াশোনা বা কোনো বিষয়ে গভীর অনুসন্ধান করা অর্থ প্রকাশ করায় এটি রূঢ়ি শব্দ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পাঞ্জাবের অধিবাসী — এটি শব্দের সাধারণ বা উৎপত্তিগত অর্থ প্রকাশ করলেও বাংলা ব্যাকরণের নিয়মে রূঢ়ি শব্দের সংজ্ঞার সঙ্গে মেলে না। B) জামা বিশেষ — এটি সঠিক উত্তর কারণ রূঢ়ি শব্দ হিসেবে পাঞ্জাবি বলতে বিশেষ ধরনের পোশাককে বোঝায়। C) মৌলভীদের পিরাণ — এটি পাঞ্জাবি পোশাকের সঙ্গে কিছুটা মিল থাকলেও রূঢ়ি শব্দ হিসেবে নির্দিষ্ট কোনো বিশেষ ধর্মের বা শ্রেণীর পোশাক বোঝায় না। D) অভিজ্ঞতাসম্পন্ন বয়স্ক ব্যক্তি — এই অর্থটি রূঢ়ি শব্দ যেমন হস্তী বা প্রবীণ শব্দের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে কিন্তু পাঞ্জাবির সঙ্গে নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: রূঢ়ি শব্দগুলো মনে রাখার জন্য মূল শব্দের উৎপত্তিগত অর্থ এবং প্রচলিত অর্থের পার্থক্য মনে রাখতে হবে। পাঞ্জাবি মানে পাঞ্জাবের লোক না বুঝে গায়ে দেওয়ার জামা বুঝতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রূঢ়ি শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই সন্দেশ, গবেষণা, হস্তী, বাতি শব্দগুলোর অর্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে। শব্দার্থের পরিবর্তনের ধারা বুঝতে পারলে রূঢ়ি, যোগরূঢ় এবং যৌগিক শব্দ সহজে আলাদা করা যায়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0