প্রশ্নের বর্ণনা

a অন্ধকার
b কালো রাত
c ম্লানিমা
d অমানিশা
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ম্লানিমা ১. কেন সঠিক: - 'ঔজ্বল্য' শব্দের অর্থ দীপ্তি, উজ্জ্বলতা বা কান্তি। এর বিপরীতার্থক বা উলটো অর্থ প্রকাশ করতে ম্লান বা নিষ্প্রভ ভাববাচক শব্দ প্রয়োজন হয়। - 'ম্লানিমা' শব্দটি ম্লান শব্দের ভাববাচক রূপ, যার অর্থ মলিনতা, নিষ্প্রভতা বা কান্তির অভাব, যা ঔজ্বল্যের বিপরীত। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিশেষ্য ও বিশেষণের রূপান্তর প্রক্রিয়ায় অনেক সময় মূল শব্দের বিপরীতার্থক ভাববাচক বিশেষ্য গঠিত হয়। - ঔজ্বল্য ও ম্লানিমা উভয়ই ভাববাচক বিশেষ্য, যা আলো এবং অন্ধকারের ভাবগত বৈপরীত্য প্রকাশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: উজ্জ্বল এর বিপরীত ম্লান। ব্যাখ্যা: এটি বিশেষণ পদের ক্ষেত্রে ঔজ্বল্য ও ম্লানিমা শব্দের মূল রূপ। উদাহরণ ২: আলো এর বিপরীত অন্ধকার। ব্যাখ্যা: এটি সমার্থক অর্থের বিপরীত রূপ হিসেবে বহুল ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অন্ধকার — এটি আলোর বিপরীতার্থক শব্দ, ঔজ্বল্যের সরাসরি ভাববাচক বিপরীত শব্দ ম্লানিমা। B) কালো রাত — এটি নির্দিষ্ট কোনো কাল বা সময়ের রূপ নির্দেশ করে, যা ঔজ্বল্যের বিপরীতার্থক ব্যাকরণগত শব্দ নয়। D) অমানিশা — এটি অমাবস্যার রাতের অন্ধকার বোঝায়, যা ঔজ্বল্য শব্দের সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে বেমানান। ৫. মনে রাখার টিপস: - উজ্জ্বল বা ঔজ্বল্য দেখলে সবসময় তার মলিন রূপ বা ম্লান ভাবটি বিপরীত হিসেবে খুঁজবে। - ভাববাচক বিশেষ্যের বিপরীতে ভাববাচক বিশেষ্য নির্বাচন করাই সঠিক নিয়ম। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভাববাচক বিশেষ্যের বিপরীত শব্দ প্রায়ই আসে। - শব্দের প্রকৃতি ও প্রত্যয় বুঝে বিপরীত শব্দ নির্ণয় করলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0