প্রশ্নের বর্ণনা

a প্রসারিত আকারে
b অর্ধ প্রসারিত আকারে
c সংক্ষিপ্ত আকারে
d অর্ধ সংক্ষিপ্ত আকারে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সংক্ষিপ্ত আকারে ১. কেন সঠিক: পূর্ণ স্বরবর্ণ যখন ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে যুক্ত হয়ে ব্যবহৃত হয়, তখন তা পূর্ণরূপ বা স্বাধীনভাবে বসে না। স্বরবর্ণের এই সংক্ষিপ্ত রূপকে বাংলা ব্যাকরণের পরিভাষায় কার বলা হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণের সংখ্যা মোট এগারোটি এবং ব্যঞ্জনবর্ণের সংখ্যা ঊচল্লিশটি। স্বরবর্ণ যখন ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে যুক্ত হয়, তখন অ-কার ছাড়া বাকি দশটি স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপ ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ক + আ = কা ব্যাখ্যা: এখানে আ স্বরবর্ণটি ব্যঞ্জনবর্ণ ক-এর সাথে আ-কার সংক্ষিপ্ত আকারে যুক্ত হয়েছে। উদাহরণ ২: প + ই = পি ব্যাখ্যা: এখানে ই স্বরবর্ণটি ব্যঞ্জনবর্ণ প-এর সাথে ই-কার সংক্ষিপ্ত আকারে যুক্ত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রসারিত আকারে — এটি ধ্বনি পরিবর্তনের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে স্বরবর্ণ যুক্ত হওয়ার ক্ষেত্রে নয়। B) অর্ধ প্রসারিত আকারে — এটি বর্ণ বা ধ্বনি প্রকরণের কোনো স্বীকৃত ব্যাকরণগত পরিভাষা নয়। C) সংক্ষিপ্ত আকারে — এটি সঠিক উত্তর কারণ স্বরধ্বনি কার হিসেবে সংক্ষিপ্ত রূপ নেয়। D) অর্ধ সংক্ষিপ্ত আকারে — এটি সঠিক বা প্রমিত ব্যাকরণিক শব্দ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপ হলো কার। ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে স্বরবর্ণ যুক্ত হতে গেলে এই সংক্ষিপ্ত রূপের সাহায্য নিতে হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা ব্যাকরণে স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপকে কার বলা হয় এবং কারের সংখ্যা দশটি। অ স্বরবর্ণের কোনো কার নেই, একে উদাসীন স্বর বা লীন স্বর বলা হয়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0