প্রশ্নের বর্ণনা

a ফারসি উপসর্গ
b আরবি উপসর্গ
c তৎসম উপসর্গ
d অর্ধ-তৎসম উপসর্গ
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) তৎসম উপসর্গ ১. কেন সঠিক: - ‘সুতীক্ষ্ম’ শব্দটিতে ‘সু’ উপসর্গটি অতিশয় বা বিশেষ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে যা তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গের অন্তর্ভুক্ত। - বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত সংস্কৃত উপসর্গগুলোর মধ্যে ‘সু’ একটি অত্যন্ত পরিচিত উপসর্গ যা ভালো বা আতিশয্য প্রকাশ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - উপসর্গ হলো সেই সব অব্যয়সূচক শব্দাংশ যা শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে এবং অর্থের পরিবর্তন বা সম্প্রসারণ ঘটায়। - তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ মোট কুড়িটি যথা প্র, পরা, অপ, সম, নি, অব, অনু, নিস্, দুস্, বি, অধি, সু, উত, পরি, প্রতি, অভি, অতি, অপি, উপ, আ। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুশোভিত ব্যাখ্যা: এখানে ‘সু’ উপসর্গটি সম্যক বা সুন্দর অর্থে ব্যবহৃত হয়ে শোভিত শব্দকে বিশেষিত করেছে। উদাহরণ ২: সুকঠিন ব্যাখ্যা: এখানে ‘সু’ উপসর্গটি আতিশয্য বা অত্যন্ত অর্থে কঠিন শব্দের পূর্বে বসে তীব্রতা বুঝিয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফারসি উপসর্গ — ফারসি উপসর্গ হলো দর, বর, নিম, ফি, বেদ, কম ইত্যাদি এবং ‘সু’ এদের অন্তর্ভুক্ত নয়। B) আরবি উপসর্গ — আরবি উপসর্গ হলো আম, খাস, লা, গর ইত্যাদি এবং ‘সু’ এদের মধ্যে পড়ে না। D) অর্ধ-তৎসম উপসর্গ — অর্ধ-তৎসম উপসর্গ হলো রাম, সতা, খে ইত্যাদি এবং ‘সু’ এই শ্রেণিভুক্ত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - তৎসম উপসর্গের তালিকা মুখস্থ রাখার সময় মনে রাখবে সংস্কর থেকেই সু, অতি, প্রতি ইত্যাদি উপসর্গ এসেছে যা তৎসম শব্দের ক্ষেত্রেই বেশি ব্যবহৃত হয়। - বাংলা শব্দে উপসর্গ চেনার সময় শব্দের মূল অংশ আলাদা করে দেখতে হবে উপসর্গটি কোন ভাষার নিয়ম মেনে এসেছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - কুড়িটি তৎসম উপসর্গ ভালো করে আয়ত্ত করলে এই ধরনের যেকোনো প্রশ্নের উত্তর সহজে নির্ণয় করা যায়। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই তৎসম ও খাটি বাংলা উপসর্গের পার্থক্য থেকে প্রশ্ন আসে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0