প্রশ্নের বর্ণনা

a প্রসন্নকুমার দাস
b সত্যসুন্দর দাস
c শ্যামাপ্রসাদ সেন
d অর্পণা চৌধুরী
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সত্যসুন্দর দাস ১. কেন সঠিক: - মোহিতলাল মজুমদার বাংলা সাহিত্যের একজন প্রখ্যাত কবি, প্রাবন্ধিক ও সাহিত্য সমালোচক ছিলেন যিনি ব্যঙ্গাত্মক ও সাহিত্য সমালোচনামূলক লেখালেখির সময় সত্যসুন্দর দাস ছদ্মনাম ব্যবহার করতেন। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিভিন্ন লেখকের ছদ্মনাম প্রায়ই আসে, আর মোহিতলাল মজুমদারের ক্ষেত্রে এই সত্যসুন্দর দাস নামটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মোহিতলাল মজুমদার আধুনিক বাংলা কবিতার রীতিনীতি ও ঐতিহ্য রক্ষায় বিশেষ ভূমিকা পালন করেছিলেন এবং তিনি রবীন্দ্রযুগের অন্যতম শক্তিশালী কবি হিসেবে পরিচিত। - তাঁর উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থের মধ্যে স্বপনপসারা ও বক্ষিতা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য এবং তিনি মূলত ক্লাসিক বা ধ্রুপদী ধারার অনুসারী ছিলেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মোহিতলাল মজুমদারের কাব্যগ্রন্থ স্বপনপসারা। ব্যাখ্যা: এটি তাঁর সাহিত্যিক পরিচয়ের একটি অন্যতম প্রধান ও বিখ্যাত সৃষ্টি। উদাহরণ ২: মোহিতলাল মজুমদারের প্রবন্ধ আধুনিক বাংলা সাহিত্য। ব্যাখ্যা: এই সাহিত্যকর্মটি তাঁর গভীর সমালোচনামূলক দৃষ্টিভঙ্গির পরিচয় বহন করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) প্রসন্নকুমার দাস — এটি মোহিতলাল মজুমদারের ছদ্মনাম নয় এবং বাংলা সাহিত্যে এই নামে পরিচিত কোনো বিশিষ্ট ছদ্মনাম নেই। B) সত্যসুন্দর দাস — এটি মোহিতলাল মজুমদারের ছদ্মনাম বিধায় এটি সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। C) শ্যামাপ্রসাদ সেন — এটি মোহিতলাল মজুমদারের ছদ্মনাম নয় এবং এটি অন্য কোনো বিখ্যাত সাহিত্যিকের ছদ্মনাম হিসেবেও তালিকাভুক্ত নয়। D) অর্পণা চৌধুরী — এটি মোহিতলাল মজুমদারের ছদ্মনাম নয় এবং এটি মূলত একটি কাল্পনিক বা অপ্রাসঙ্গিক নাম হিসেবে অপশনে এসেছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - মোহিতলাল নামটির সঙ্গে 'ম' যুক্ত এবং তাঁর ছদ্মনামের 'সুন্দর' শব্দটি মনে রাখলে সহজেই সত্যসুন্দর দাস নামটি স্মরণে রাখা যায়। - লেখকদের ছদ্মনাম মনে রাখার জন্য নিয়মিত সাহিত্যিকদের তালিকা ছক আকারে চর্চা করা উচিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ছদ্মনাম থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে, যেমন বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম বনফুল। - একই নিয়মে টেকচাঁদ ঠাকুর বা প্যারীচাঁদ মিত্র এবং কালকুট বা সমরেশ বসুর ছদ্মনামের তথ্যগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0