প্রশ্নের বর্ণনা

a অলীক কল্পনা
b দিনের বেলায় যে স্বপ্ন দেখা হয়
c জেগে জেগে স্বপ্ন দেখা
d অসম্ভব কল্পনা
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অলীক কল্পনা ১. কেন সঠিক: - দিবাস্বপ্ন বাগধারাটির আক্ষরিক অর্থ দিনের বেলায় দেখা স্বপ্ন হলেও বিশেষ অর্থে এটি অবাস্তব বা মিথ্যা কল্পনাকে বোঝায়। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এ ধরনের বাগধারা প্রায়শই রূপক বা অন্তর্নিহিত অর্থ প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দ বা শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ বা আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে বিশেষ কোনো ভাব প্রকাশ করে। - দিবাস্বপ্ন শব্দটির পেছনের অন্তর্নিহিত অর্থ হলো যা বাস্তবে রূপায়িত হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আকাশ কুসুম ব্যাখ্যা: আকাশ কুসুম বাগধারাটির অর্থও অসম্ভব কল্পনা বা অলীক কল্পনা, যা দিবাস্বপ্ন এর সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: ব্যাঙের সর্দি ব্যাখ্যা: ব্যাঙের সর্দি একটি অসম্ভব ব্যাপার, যা দিবাস্বপ্ন বা অবাস্তব আশার সমার্থক হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অলীক কল্পনা — এটি সঠিক উত্তর কারণ দিবাস্বপ্ন বাগধারাটি অবাস্তব বা মিথ্যা কল্পনা অর্থ প্রকাশ করে। B) দিনের বেলায় যে স্বপ্ন দেখা হয় — এটি বাগধারার আক্ষরিক অর্থ, কিন্তু প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারার অন্তর্নিহিত বা বিশেষ অর্থই প্র্রযোজ্য হয়। C) জেগে জেগে স্বপ্ন দেখা — এটি আক্ষরিক অর্থের কাছাকাছি হলেও দিবাস্বপ্ন এর মূল ভাব অবাস্তব বা অলীক কল্পনাকে নির্দেশ করে। D) অসম্ভব কল্পনা — যদিও এর অর্থ কাছাকাছি, তবে ব্যাকরণগত ও প্রমিত অর্থে অলীক কল্পনা হলো দিবাস্বপ্ন এর সবচেয়ে সঠিক ভাবার্থ। ৫. মনে রাখার টিপস: - দিবাস্বপ্ন দেখলে মনে রাখবে মানুষ দিনের আলোতেও অনেক সময় অবাস্তব কিছু ভাবে, যার বাস্তব কোনো ভিত্তি নেই অর্থাৎ তা অলীক। - আক্ষরিক অর্থে না গিয়ে বাগধারার অন্তর্নিহিত ভাবার্থ বোঝার চেষ্টা করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আক্ষরিক অর্থের বাইরে থাকা বাগধারার বিশেষ অর্থ নির্ধারণ করতে বলা হয়। - সমার্থক বাগধারাগুলো এক সাথে পড়লে উত্তর করা সহজ হয়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0