প্রশ্নের বর্ণনা

a সুকুমার সেন
b দীনেশ চন্দ্র সেন
c মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
d অসিতকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) দীনেশ চন্দ্র সেন ১. কেন সঠিক: - দীনেশচন্দ্র সেন ১৯১৩ সালে বাংলা সাহিত্যের প্রথম ইতিহাস বিষয়ক গ্রন্থ বঙ্গভাষা ও সাহিত্য রচনা করেন। - এটি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসের ক্ষেত্রে একটি যুগান্তকারী এবং মৌলিক গবেষণা গ্রন্থ হিসেবে স্বীকৃত। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - দীনেশচন্দ্র সেন বিংশ শতাব্দীর শুরুতে প্রাচীন ও মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্য উদ্ধারে বিশাল ভূমিকা পালন করেন। - তার এই গ্রন্থটি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রথম প্রকাশিত হয় এবং এটি ডক্টর সুকুমার সেনসহ পরবর্তী গবেষকদের পথপ্রদর্শক ছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বঙ্গভাষা ও সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি দীনেশচন্দ্র সেন রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন ও মধ্যযুগের ইতিহাসভিত্তিক প্রথম প্রামাণিক গ্রন্থ। উদাহরণ ২: রামবতী দাসীর রামায়ণ ব্যাখ্যা: দীনেশচন্দ্র সেন তার গবেষণায় এই ধরনের অবহেলিত ও প্রাচীন অনেক পুঁথি সংগ্রহ করে আলোয় নিয়ে আসেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সুকুমার সেন — সুকুমার সেন বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস বিষয়ক বৃহৎ গ্রন্থ বাঙ্গালা সাহিত্যর ইতিহাস রচনা করেছেন, যা দীনেশচন্দ্র সেনের পরে প্রকাশিত হয়। B) দীনেশ চন্দ্র সেন — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনিই প্রথম বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস গ্রন্থ রচনা করেন। C) মুহম্মদ শহীদুল্লাহ — ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস নিয়ে কাজ করলেও তিনি প্রথম গ্রন্থ রচয়িতা নন, তার বিখ্যাত কাজ বাংলা সাহিত্যের কথা। D) অসিতকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় — অসিতকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় পরবর্তীকালে বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত নামে সুপরিচিত ইতিহাস গ্রন্থ রচনা করেন। ৫ মনে রাখার টিপস: - বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস লেখার ইতিহাস শুরু করেছিলেন দীনেশচন্দ্র সেন। - নামের সাথে সেন যুক্ত এবং প্রথম ইতিহাস বলে দীনেশচন্দ্র সেনকে মনে রাখা সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলা সাহিত্যের প্রথম ইতিহাস গ্রন্থের নাম বঙ্গভাষা ও সাহিত্য। - একই ধরনের প্রশ্নে প্রায়ই দীনেশচন্দ্র সেন ও সুকুমার সেনের কাজের মধ্যে পার্থক্য নির্ণয় করতে হয়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0