প্রশ্নের বর্ণনা

a অরাজগ
b অপদার্থ
c মূল্যবান
d অস্থির মানব মন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অস্থির মানব মন ১. কেন সঠিক: - মন না মতি বাগধারাটির মাধ্যমে মানুষের মনের চঞ্চল ও পরিবর্তনশীল অবস্থাকে বোঝানো হয়। - মানুষের মন স্থির থাকে না, ক্ষণে ক্ষণে তার সিদ্ধান্ত ও চিন্তা বদলায়, যা এই বাগধারার মূল ভাব। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ অর্থের বাইরে গিয়ে একটি বিশেষ ও সুনির্দিষ্ট ভাব প্রকাশ করে। - বাংলা ভাষায় শব্দের আক্ষরিক অর্থ বাদ দিয়ে রূপক অর্থে ব্যবহৃত হয়ে ভাষার সৌন্দর্য ও ভাব প্রকাশের ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মনের কথা মুখে আনা যায় না কারণ মানুষের মন হলো মন না মতি। ব্যাখ্যা: মানুষের মনের পরিবর্তনশীলতা বোঝাতে এই উদাহরণটি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: আজ এক সিদ্ধান্ত কাল আরেক সিদ্ধান্ত, তার চরিত্র তো ঠিক মন না মতি। ব্যাখ্যা: মানুষের অস্থির সিদ্ধান্তহীনতা প্রকাশ করতে বাগধারাটির সার্থক প্রয়োগ দেখানো হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অরাজগ — এই শব্দটি মূলত অরাজক বা বিশৃঙ্খল অবস্থা বোঝায়, যা মনের চঞ্চলতার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। B) অপদার্থ — এই শব্দটি দ্বারা কোনো অকর্মণ্য বা মূল্যহীন বস্ত্ত বা ব্যক্তিকে বোঝানো হয়, যা মন না মতি বাগধারার অর্থের সঙ্গে মেলে না। C) মূল্যবান — এই শব্দটির অর্থ যা দামি বা মহার্ঘ, যা মনের অস্থিরতা বোঝাতে সম্পূর্ণ বিপরীতার্থক। D) অস্থির মানব মন — এই অপশনটি সঠিক কারণ মন না মতি বাগধারাটি মানুষের মনের পরিবর্তনশীল ও অস্থির অবস্থাকে নির্দেশ করে। ৫. মনে রাখার টিপস: - মন এবং মতি দুটি শব্দই মনের গতি বোঝায়, তাই মন স্থির না থেকে চঞ্চল হলে তাকে অস্থির মানব মন হিসেবে মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মানব মনের স্বভাব ও অস্থিরতা প্রকাশকারী বাগধারা যেমন মন না মতি বা মন কচুরিপানা প্রায়ই আসে। - বাগধারা মুখস্থ না করে তার অন্তর্নিহিত ভাবার্থ বোঝার মাধ্যমে উত্তর নির্বাচন করা উচিত।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0