প্রশ্নের বর্ণনা

a অহ + রহ
b অহ + রহ
c অহো + রহ
d অহঃ + অহ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অহঃ + অহ ১. কেন সঠিক: অহরহ শব্দটির সন্ধি হলো বিসর্গ সন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম। এখানে প্রথম পদের শেষে থাকা বিসর্গের (ঃ) সঙ্গে পরবর্তী পদের শুরুতে থাকা অ যুক্ত হয়ে ও-কার এবং র-ফলা গঠিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী বিসর্গের পরে যদি অ কিংবা ব হ য র ল থাকে এবং প্রথম পদের শেষে অ-কার বা আ-কার থাকে, তবে বিসর্গ ও-কার কিংবা র-এ রূপান্তরিত হয়। অহরহ শব্দটিতে অহঃ এবং অহ মিলে বিসর্গটি র-এ পরিণত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অহর্নিশ (অহঃ + নিশ) ব্যাখ্যা: এটিও বিসর্গ সন্ধির নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে যেখানে অহঃ পদের বিসর্গ র-এ পরিবর্তিত হয়েছে। উদাহরণ ২: প্রাতরাশ (প্রাতঃ + আশ) ব্যাখ্যা: এখানে বিসর্গের সঙ্গে স্বরধ্বনি যুক্ত হয়ে বিসর্গ র-এ রূপান্তরিত হওয়ার আরেকটি চমৎকার উদাহরণ দেখা যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অহ + রহ — এই ধরনের কোনো সন্ধির নিয়ম ব্যাকরণে নেই এবং রহ বলে কোনো অর্থপূর্ণ শব্দ বাংলা ভাষায় প্রচলিত নেই। B) অহ + রহ — এটি মূল শব্দের সঠিক বিশ্লেষণে কোনো ব্যাকরণগত নিয়ম মানছে না এবং এর গঠন সঠিক নয়। C) অহো + রহ — অহো কোনো প্রমিত বা ব্যাকরণসিদ্ধ পূর্বপদ নয় এবং এই সন্ধি সঠিক নিয়ম অনুসরণ করে না। D) অহঃ + অহ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বিসর্গ সন্ধির ব্যাকরণগত সকল নিয়ম নিখুঁতভাবে মেনে গঠিত হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: বিসর্গ সন্ধির ক্ষেত্রে যখন একই শব্দ বারবার ব্যবহৃত হয়ে মাঝখানে র বা ও-কার তৈরি করে, তখন প্রথম পদে বিসর্গ যুক্ত করা হয়। যেমন অহঃ যোগ অহ সমান অহরহ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসর্গ সন্ধি থেকে বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই প্রশ্ন আসে। তাই বিসর্গ র বা ও-কার হওয়ার নিয়মগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করা জরুরি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0