প্রশ্নের বর্ণনা

a অহ + নিশ
b অহর + নিশ
c অহঃ + নিশ
d অহঃ + নিশা
0 12 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অহঃ + নিশা ১. কেন সঠিক: - অহর্নিশ শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ করলে বিসর্গ সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী অহঃ এবং নিশা শব্দ দুটি পাওয়া যায়। - এখানে নিশা শব্দের অর্থ রাত বা রাত্রি হলেও সন্ধির বিশেষ নিয়মে অহঃ শব্দের সঙ্গে নিশা যুক্ত হয়ে অহর্নিশ রূপ লাভ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ব্যাকরণের বিসর্গ সন্ধির একটি বিশেষ ও গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম। - বিসর্গের পর অ কিংবা আ থাকলে বিসর্গ ও-কার হয় অথবা রেফ হয় এবং পরবর্তী শব্দের আকার লোপ পায় বা পরিবর্তিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অহঃ + নিশি = অহর্নিশি ব্যাখ্যা: নিশা শব্দের মতো নিশি শব্দটির ক্ষেত্রেও বিসর্গ সন্ধির এই বিশেষ নিয়ম প্রযোজ্য হয়। উদাহরণ ২: অহঃ + অহ = অহর্অহ ব্যাখ্যা: অহ শব্দের সঙ্গে বিসর্গ যুক্ত হয়ে এবং পরবর্তীতে সন্ধির নিয়মে এই বিশেষ শব্দের সৃষ্টি হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অহ + নিশ — এই অপশনটি ভুল কারণ এতে বিসর্গ বা সঠিক নিয়ম অনুসরণ করা হয়নি এবং নিশ শব্দটি প্রমিত নয়। B) অহর + নিশ — এই অপশনটি ভুল কারণ অহর সরাসরি কোনো মূল শব্দ নয় এবং সন্ধির বিসর্গ প্রক্রিয়া এখানে অনুপস্থিত। C) অহঃ + নিশ — এই অপশনটি ভুল কারণ এখানে নিশ ব্যবহার করা হয়েছে, অথচ ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী নিশা শব্দটি হবে। D) অহঃ + নিশা — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি বিসর্গ সন্ধির প্রমিত নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - অহর্নিশ শব্দ দেখলে মনে রাখবে এর শেষ অংশটি নিশ নয় বরং নিশা হবে। - বিসর্গ সন্ধির ক্ষেত্রে রেফ বা র আসার পর পরবর্তী শব্দটির শেষ স্বরধ্বনি পরিবর্তিত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসর্গ সন্ধি থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে তাই ব্যতিক্রমী নিয়মগুলো ভালোভাবে পড়তে হবে। - সন্ধি বিচ্ছেদের সময় মূল শব্দ দুটির সঠিক রূপ চেনা অত্যন্ত জরুরি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0