প্রশ্নের বর্ণনা

a রাজর্ষি
b পীতাম্বর
c গায়ে হলুদ
d অহি-নকুল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পীতাম্বর ১. কেন সঠিক: - প্রশ্নটিতে প্রদত্ত সঠিক উত্তর ভুল। পীতাম্বর অলুক তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ নয়, এটি একটি বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রশ্নে অনেক সময় এমন ভুল থাকে, তাই সঠিক ব্যাকরণিক নিয়ম অনুযায়ী উত্তর যাচাই করা আবশ্যক। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - যে তৎপুরুষ সমাসের পূর্বপদে বিভক্তি লোপ পায় না, তাকে অলুক তৎপুরুষ সমাস বলে। - পীতাম্বর শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো পীত অম্বর যার, অর্থাৎ হলুদ পোশাক যার। এটি কোনো পদপ্রধান না হয়ে একটি নতুন অর্থ প্রকাশ করায় ব্যধিকরণ বহুব্রীহি সমাস হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গায়ে হলুদ ব্যাখ্যা: গায়ে হলুদ দেওয়া হয় যে অনুষ্ঠানে, এটি অলুক বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ কারণ এখানে গায়ে পদের এ বিভক্তি লোপ পায়নি। উদাহরণ ২: ঘিয়ে ভাজা ব্যাখ্যা: ঘিয়ে ভাজা হলো অলুক তৎপুরুষ সমাস, কারণ এখানে পূর্বপদের এ বিভক্তি বহাল রয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাজর্ষি — এটি কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ, যার ব্যাসবাক্য রাজা অথচ ঋষি। এটি অলুক তৎপুরুষ সমাসের নিয়ম মেনে চলে না। B) পীতাম্বর — প্রদত্ত উত্তর ভুল হলেও এটি মূলত বহুব্রীহি সমাস, যা তৎপুরুষ সমাসের অন্তর্ভুক্ত নয়। C) গায়ে হলুদ — এটি অলুক বহুব্রীহি সমাস, যা তৎপুরুষ সমাসের নিয়মের মধ্যে পড়ে না। D) অহি-নকুল — এটি দ্বন্দ্ব সমাসের উদাহরণ, যার ব্যাসবাক্য অহি ও নকুল। ৫. মনে রাখার টিপস: - যে সমাসে পূর্বপদের বিভক্তি অপরিবর্তিত থাকে তাকে অলুক সমাস বলে। - বহুব্রীহি সমাস চেনার সহজ উপায় হলো ব্যাসবাক্যের শেষে যার বা যাতে থাকা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - পরীক্ষায় ভুল উত্তর থাকলে নিজের ব্যাকরণগত জ্ঞানের ওপর ভরসা করে সঠিক নিয়মটি প্রয়োগ করতে হবে। - সমাস নির্ণয়ের সময় শব্দের অর্থ এবং ব্যাসবাক্যের গঠন ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0