প্রশ্নের বর্ণনা

a আন
b আই
c আল
d আও
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আই ১. কেন সঠিক: ধাতুর পর 'আই' প্রত্যয় যুক্ত করে ভাববাচক বিশেষ্য বা ক্রিয়াবাচক বিশেষ্য গঠন করা হয়। বাংলা ব্যাকরণে ধাতু বা ক্রিয়ামূলের সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত করে বিশেষ্য পদ তৈরি করার সুনির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: যে প্রত্যয় কৃৎ বা ক্রিয়া প্রকৃতির সঙ্গে যুক্ত হয়ে ভাব বা কাজের নাম বোঝায় তাকে কৃৎ প্রত্যয় বলে। ধাতুর সঙ্গে 'আই' যুক্ত হয়ে সাধারণত ক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার ভাব প্রকাশ করে যা বিশেষ্য হিসেবে গণ্য হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চড় + আই = চড়াই ব্যাখ্যা: এখানে 'চড়' ধাতুর সঙ্গে 'আই' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে চড়াই ভাববাচক বিশেষ্য গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: দেখ + আই = দেখাই ব্যাখ্যা: এখানে 'দেখ' ধাতুর সঙ্গে 'আই' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে দেখার ভাব বা কাজের নাম বোঝাচ্ছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আন — এই প্রত্যয়টি ধাতুর পর যুক্ত হয়ে অন্য অর্থে বা অন্য শব্দ গঠনে ব্যবহৃত হয় যেমন চল + আন = চালান। এটি ভাববাচক বিশেষ্য বোঝানোর জন্য সরাসরি নির্দিষ্ট নয়। B) আই — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি ধাতুর পর যুক্ত হয়ে ভাববাচক বিশেষ্য গঠন করে। যেমন চড় + আই = চড়াই। C) আল — এই প্রত্যয়টি বিশেষ বিশেষ শব্দ গঠনে ব্যবহৃত হয় তবে প্রধানত ভাববাচক বিশেষ্য বোঝাতে এটি বসে না। যেমন চোরা + আল = চোরালো। D) আও — এই প্রত্যয়টি ক্রিয়ার মূলের সঙ্গে যুক্ত হয়ে অন্য ধরনের শব্দ বা ভাব প্রকাশ করে। যেমন কম + আও = কমাও যা অনুজ্ঞাপাচক ক্রিয়াপদ। ৫ মনে রাখার টিপস: ধাতুর সঙ্গে আই প্রত্যয় যুক্ত হলে সাধারণত ইকারান্ত শব্দ তৈরি হয় যা ভাববাচক বিশেষ্য নির্দেশ করে। চড় থেকে চড়াই এবং দেখ থেকে দেখাই শব্দগুলো মনে রাখলে এই নিয়মটি সহজে আয়ত্ত করা যায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রত্যয় নির্ণয়ের ক্ষেত্রে শব্দের প্রকৃতি ও প্রত্যয় আলাদা করে দেখার অভ্যাস করতে হবে। ভাববাচক বিশেষ্য চেনার জন্য শব্দের শেষে কাজের নাম বা ভাব প্রকাশ পাচ্ছে কি না তা লক্ষ্য করতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0