প্রশ্নের বর্ণনা

a গাছে তুলে মই কাড়া
b এক ক্ষুরে মাথা মুড়ানো
c ধরি মাছ না ছুঁই পানি
d আকাশের চাঁদ হাতে পাওয়া
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ধরি মাছ না ছুঁই পানি ১. কেন সঠিক: - 'ধরি মাছ না ছুঁই পানি' বাগধারাটির শাব্দিক অর্থ হলো পানিতে হাত না ভিজিয়ে মাছ ধরা, আর এর ভাবার্থ বা প্রবচনগত অর্থ হলো কোনো রকম ঝুঁকি না নিয়ে বা কৌশল অবলম্বন করে কার্যোদ্ধার করা। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিভিন্ন ভাবার্থের প্রবচন ও বাগধারা থেকে প্রশ্ন আসে, যেখানে শিক্ষার্থীদের শাব্দিক অর্থ থেকে দূরে সরে অন্তর্নিহিত ভাবার্থ বুঝতে হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বাংলা ভাষা ও ব্যাকরণে বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দসমষ্টি যা সাধারণ অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ও ভাবার্থমূলক অর্থ প্রকাশ করে। - এই ধরনের প্রবাদ-প্রবচন বা বাগধারাগুলো আমাদের দৈনন্দিন ভাষার প্রমিত ব্যবহারকে সমৃদ্ধ করে এবং বাক্যকে আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরের মার বড় গলা ব্যাখ্যা: অপরাধী হয়েও উগ্র বা জোরালো প্রতিবাদ করার মনোভাব বোঝাতে এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ ২: দুধের মাছি ব্যাখ্যা: সুসময়ের বা কেবল সুখের দিনের বন্ধু বোঝাতে এই বিশেষ বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গাছে তুলে মই কাড়া — এই বাগধারাটির অর্থ হলো কোনো ব্যক্তিকে বড় কোনো আশ্বাসের মাধ্যমে বিপদে ফেলে বা সাহায্যের প্রতিশ্রুতি দিয়ে পরে সহযোগিতা থেকে সরে দাঁড়ানো। B) এক ক্ষুরে মাথা মুড়ানো — এই বাগধারাটির অর্থ হলো সবাইকে একই দণ্ড বা শাস্তির আওতায় নিয়ে আসা কিংবা সবার ক্ষেত্রে একই আচরণ করা। C) ধরি মাছ না ছুঁই পানি — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে নতুন করে কোনো ভুল অপশনের পুনরাবৃত্তি করা হলো না। D) আকাশের চাঁদ হাতে পাওয়া — এই বাগধারাটির অর্থ হলো অত্যন্ত দুর্লভ বা অসম্ভব কোনো বস্তু বা সাফল্য লাভ করা। ৫. মনে রাখার টিপস: - কোনো কাজ সম্পন্ন করা অথচ তার জন্য সামান্যও ঝুঁকি বা কষ্ট স্বীকার না করা বোঝালে সবসময় 'ধরি মাছ না ছুঁই পানি' বাগধারাটি নির্বাচন করবে। - প্রবাদের ক্ষেত্রে শাব্দিক অর্থের চেয়ে তার গভীর ভাবার্থ বা সমাজের মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতাপ্রসূত অর্থকে প্রাধান্য দেবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারার অন্তর্নিহিত অর্থ প্রায়ই উল্টো বা ভিন্ন প্রকৃতির হয়, তাই মুখস্থ করার পাশাপাশি এর ভাবার্থ ভালোভাবে অনুধাবন করতে হবে। - একই ধরনের অন্যান্য কৌশলগত বাগধারা যেমন 'সাপও মরবে লাঠিও ভাঙবে না' এর সাথে যেন এই বাগধারার অর্থ গুলিয়ে না যায় সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0