প্রশ্নের বর্ণনা

a আবদুল কাদির
b আবুল কালাম শামসুদ্দীন
c আবুল কালাম আজাদ
d আবদুল ওদুদ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আবুল কালাম শামসুদ্দীন ১. কেন সঠিক: পাকিস্তান সরকারের দমননীতির প্রতিবাদ স্বরূপ বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির পক্ষে অবস্থান নেওয়ার জন্য আবুল কালাম শামসুদ্দীন এই সরকারি খেতাব বর্জন করেছিলেন। তৎকালীন সরকারের অন্যায়ের প্রতিবাদ করায় তাঁর সাহসিকতার স্বীকৃতি হিসেবে বিভিন্ন ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে তাঁকে স্মরণ করা হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: আবুল কালাম শামসুদ্দীন ছিলেন বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত সাংবাদিক, সাহিত্যিক ও রাজনীতিবিদ। তিনি ভাষা আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন এবং তাঁর সাহিত্যকর্ম ও সাংবাদিকতার জন্য সমাজ ও রাষ্ট্রে সম্মানিত হন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ব্যাখ্যা: তিনি ভাষা আন্দোলনের একজন অন্যতম পুরোধা ব্যক্তিত্ব ও ভাষাবিজ্ঞানী যিনি বাঙালির অধিকার রক্ষায় সোচ্চার ছিলেন। উদাহরণ ২: প্রিন্সিপাল ইব্রাহিম খাঁ ব্যাখ্যা: তিনিও বাঙালি সংস্কৃতি ও ভাষার পক্ষে অবস্থান নিয়ে পাকিস্তান সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আবদুল কাদির — তিনি একজন প্রখ্যাত সাহিত্যিক ও গবেষক হলেও এই বিশেষ উপাধি প্রাপ্তির সঙ্গে সম্পর্কিত নন। B) আবুল কালাম শামসুদ্দীন — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি পাকিস্তান সরকারের দমননীতির প্রতিবাদে ভূমিকা রেখেছিলেন। C) আবুল কালাম আজাদ — তিনি ভারতীয় উপমহাদেশের একজন প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ ও ভারতের প্রথম শিক্ষামন্ত্রী ছিলেন, যিনি পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্কিত নন। D) আবদুল ওদুদ — তিনি বাংলা সাহিত্যের বুদ্ধিমুক্তির আন্দোলনের একজন অন্যতম প্রধান প্রবক্তা ও প্রাবন্ধিক ছিলেন। ৫ মনে রাখার টিপস: পাকিস্তান সরকারের দমননীতির প্রতিবাদে খেতাব বর্জনের ক্ষেত্রে সাংবাদিক আবুল কালাম শামসুদ্দীনের নাম বিশেষভাবে স্মরণ রাখতে হবে। সংবাদিকতা ও ভাষা আন্দোলনে তাঁর অবদান পরীক্ষার্থীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কিত বিভিন্ন খেতাব বর্জনকারী ব্যক্তিত্বদের নাম প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। এই ধরনের প্রশ্নের ক্ষেত্রে সাহিত্যিক ও ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্বদের অবদান ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0