প্রশ্নের বর্ণনা

a ড. দীনেশচন্দ্র সেন
b ড. নলিনীকান্ত সেনগুপ্ত
c ড. ফনীভূষণ দাসগুপ্ত
d আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ ১. কেন সঠিক: - আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অমর নিদর্শন এবং পুঁথি সংগ্রহের ক্ষেত্রে ইতিহাসের এক অবিস্মরণীয় নাম। - তিনি বিভিন্ন স্থান থেকে প্রাচীন ও মধ্যযুগের দুর্লভ পুঁথি সংগ্রহ করে বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছেন এবং নাথ সাহিত্য সংগ্রহ ও সম্পাদনার ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ চট্টগ্রামের লট বাজারে জন্মগ্রহণ করেন এবং বাংলা পুঁথির প্রধান উদ্ধারক হিসেবে পরিচিত। - নাথ সাহিত্য মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একটি অন্যতম ধারা যা মূলত গোরক্ষনাথ ও মীননাথকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় লাইব্রেরি ব্যাখ্যা: আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ তাঁর সংগৃহীত বহু দুর্লভ পুঁথি পরবর্তীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় লাইব্রেরিতে দান করেন। উদাহরণ ২: ময়নামতীর গান ব্যাখ্যা: এটি নাথ সাহিত্যের একটি অন্যতম বিখ্যাত নিদর্শন যা পুঁথি সাহিত্যের অন্তর্ভুক্ত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ড. দীনেশচন্দ্র সেন — তিনি প্রাচীন ও মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস গ্রন্থ বঙ্গভাষা ও সাহিত্য এবং ময়মনসিংহ গীতিকা সংগ্রহের জন্য বিখ্যাত হলেও নাথ সাহিত্য সংগ্রহ ও সম্পাদনার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত নন। B) ড. নলিনীকান্ত সেনগুপ্ত — তিনি সাহিত্যিক ও প্রাবন্ধিক হিসেবে পরিচিত হলেও নাথ সাহিত্য সংগ্রহ বা সম্পাদনার জন্য এই খ্যাতির অধিকারী নন। C) ড. ফনীভূষণ দাসগুপ্ত — তিনি বাংলা সাহিত্যের গবেষক বা নাথ সাহিত্য সম্পাদনার জন্য প্রধান ব্যক্তিত্ব হিসেবে স্বীকৃত নন। D) আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য। ৫. মনে রাখার টিপস: - পুঁথি সংগ্রহ ও প্রাচীন সাহিত্য উদ্ধারের কথা থাকলে সবার আগে আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদের নাম স্মরণ করতে হবে। - নাথ সাহিত্য এবং পুঁথি আবিষ্কার এই দুটি বিষয় একই সূত্রে গাঁথা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রাচীন ও মধ্যযুগের পুঁথি সংগ্রাহক হিসেবে আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদের অবদান বারবার আসে। - মধ্যযুগের অন্যান্য সাহিত্য ধারা যেমন মঙ্গলকাব্য এবং বৈষ্ণব পদাবলীর পাশাপাশি নাথ সাহিত্যের ইতিহাস ভালোভাবে পড়তে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0