প্রশ্নের বর্ণনা

a হুমায়ুন আহমেদ
b রশীদ করিম
c হুমায়ুন আজাদ
d আবদুল্লাহ আল-মুতি
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) আবদুল্লাহ আল-মুতি ১. কেন সঠিক: - আবদুল্লাহ আল-মুতি বাংলাদেশের বিজ্ঞান জনপ্রিয়করণ সাহিত্যের অন্যতম প্রধান ও পথিকৃৎ লেখক। - তার সহজ ও সাবলীল ভাষায় রচিত বিজ্ঞান বিষয়ক গ্রন্থসমূহ শিশু-কিশোর ও সাধারণ পাঠকের মধ্যে বিজ্ঞানমনস্কতা তৈরিতে অসামান্য অবদান রেখেছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - আবদুল্লাহ আল-মুতি ১৯৩০ সালের ১ জানুয়ারি সিরাজগঞ্জ জেলায় জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৯৮ সালের ৩০ নভেম্বর মৃত্যুবরণ করেন। - তার উল্লেখযোগ্য বিজ্ঞান বিষয়ক সাহিত্যকর্মের মধ্যে রয়েছে এসো বিজ্ঞানের রাজ্যে, আবিষ্কারের নেশায়, মেঘের মুল্লুকে এবং সাগরের রহস্যপুরী। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: এসো বিজ্ঞানের রাজ্যে ব্যাখ্যা: এটি আবদুল্লাহ আল-মুতি রচিত একটি জনপ্রিয় বিজ্ঞানগ্রন্থ যা কিশোর পাঠকদের বিজ্ঞানমুখী করতে বিশেষভাবে সমাদৃত। উদাহরণ ২: আশ্চর্যের দেশ বাংলাদেশ ব্যাখ্যা: লেখকের এই গ্রন্থটিতে আমাদের দেশের প্রকৃতি ও বিজ্ঞানের নানা অজানা দিক অত্যন্ত সহজ ভাষায় তুলে ধরা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হুমায়ুন আহমেদ — তিনি বাংলাদেশের কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার ও চলচ্চিত্র নির্মাতা হিসেবে সর্বাধিক পরিচিত এবং তার প্রধান ক্ষেত্র ছিল উপন্যাস ও নাটক। B) রশীদ করিম — তিনি একজন বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক ছিলেন এবং তার রচনা প্রধানত মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস ও সামাজিক জীবনভিত্তিক। C) হুমায়ুন আজাদ — তিনি বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক, কবি, ভাষাবিজ্ঞানী ও সমালোচক ছিলেন এবং তার প্রধান কাজ ভাষা ও সাহিত্য গবেষণা এবং সমাজবিশ্লেষণমূলক প্রবন্ধ। D) আবদুল্লাহ আল-মুতি — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি মূলত বিজ্ঞান বিষয়ক সাহিত্য রচনার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত। ৫ মনে রাখার টিপস: - আবদুল্লাহ আল-মুতি নামটি দেখলে মনে রাখতে হবে যে তিনি বিজ্ঞানকে সহজে ফুটিয়ে তোলার জন্য মুতি বা মুক্তোর মতো মূল্যবান বিজ্ঞান বই উপহার দিয়েছেন। - বিজ্ঞান বিষয়ক লেখক বললেই প্রখ্যাত লেখক আবদুল্লাহ আল-মুতি নামটি সবার আগে মনে রাখতে হবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বাংলাদেশের বিজ্ঞান সাহিত্য ও শিশুসাহিত্যে আবদুল্লাহ আল-মুতির অবদান অপরিসীম এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তার রচিত বিজ্ঞানগ্রন্থের নাম প্রায়ই আসে। - লেখক পরিচিতি থেকে প্রশ্ন আসলে সংশ্লিষ্ট লেখকের প্রধান সাহিত্য ক্ষেত্র বা বিশেষ অবদানের দিকটি ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0