প্রশ্নের বর্ণনা

a নূরজাহান
b গুলবদন বেগম
c হুমায়ুন
d আবুল ফজল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) গুলবদন বেগম ১. কেন সঠিক: - হুমায়ুন নামা গ্রন্থটির রচয়িতা মোঘল সম্রাট বাবরের কন্যা গুলবদন বেগম। - সম্রাট আকবরের অনুরোধে তিনি মোঘল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা বাবর ও সম্রাট হুমায়ুনের আমলের ইতিহাস এই গ্রন্থে লিখেছিলেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - গুলবদন বেগম ছিলেন মোঘল রাজপরিবারের একজন বিদূষী নারী এবং প্রথম ঐতিহাসিক লেখিকা। - ফার্সি ভাষায় রচিত এই গ্রন্থটি মোঘল আমলের প্রারম্ভিক ইতিহাস জানার একটি অত্যন্ত প্রামাণ্য ও মূল্যবান দলিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আইন-ই-আকবরি ব্যাখ্যা: এটি আবুল ফজল রচিত মোঘল সম্রাট আকবরের আমলের প্রশাসনিক ও ঐতিহাসিক গ্রন্থ। উদাহরণ ২: তুজুক-ই-বাবরি ব্যাখ্যা: এটি সম্রাট বাবর রচিত তাঁর নিজের আত্মজীবনীমূলক ঐতিহাসিক গ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নূরজাহান — নূরজাহান মোঘল সম্রাজ্ঞী ছিলেন, কিন্তু তিনি হুমায়ুন নামা রচনা করেননি। B) গুলবদন বেগম — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি হুমায়ুন নামা গ্রন্থের রচয়িতা। C) হুমায়ুন — হুমায়ুন মোঘল সম্রাট ছিলেন, যিনি নিজে এই গ্রন্থ রচনা করেননি বরং তাঁর জীবনী এতে লেখা হয়েছে। D) আবুল ফজল — আবুল ফজল সম্রাট আকবরের নবরত্নের একজন ছিলেন এবং তিনি আকবর নামা ও আইন-ই-আকবরি রচনা করেছেন। ৫ মনে রাখার টিপস: - হুমায়ুন নামা নামের সাথে হুমায়ুনের নাম জড়ালেও এর রচয়িতা একজন নারী, যার নাম গুলবদন বেগম। - সম্রাট আকবরের ফুফু গুলবদন বেগম এই গ্রন্থ লিখে মোঘল সাহিত্যের ইতিহাসে অমর হয়ে আছেন। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মোঘল আমলের ঐতিহাসিক গ্রন্থ ও রচয়িতার নাম জানতে চাওয়া হয়। - এই ধরনের প্রশ্ন সমাধানের জন্য রাজকীয় গ্রন্থ এবং তাদের লেখকদের নাম আলাদা করে মুখস্থ রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0