প্রশ্নের বর্ণনা

a ড. আহমদ শরীফ
b ড. সুকুমার সেন
c ড. মুহম্মদ এনামূল হক
d আব্দুল করিম সাহিত্য বিশারদ
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) আব্দুল করিম সাহিত্য বিশারদ ১. কেন সঠিক: - পদুমাবত বা পদ্মাবতী মহাকবি আলাওলের একটি অমর সৃষ্টি যা তিনি রোসাঙ্গের রাজসভার অমাত্য মাগন ঠাকুরের অনুরোধে রচনা করেন। - এই বিশাল ও প্রাচীন পুঁথিটি প্রথম সংগ্রহ এবং আংশিক সম্পাদনা করে প্রকাশ করার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিলেন গবেষক আব্দুল করিম সাহিত্য বিশারদ। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মহাকবি আলাওল মধ্যযুগের আরাকান রাজসভার রোসাঙ্গের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বাঙালি কবি যিনি মূলত ফার্সি ও হিন্দি কাব্যের বাংলা অনুবাদ ও রূপান্তরের জন্য বিখ্যাত। - পদ্মাবতী কাব্যটি মালিক মুহাম্মদ জায়সীর হিন্দি পদুমাবত কাব্যের ছায়াবলম্বনে রচিত একটি মনোজাগতিক ও রূপকধর্মী প্রেমকাব্য। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তোহফা ব্যাখ্যা: এটি আলাওলের অন্যতম একটি বিখ্যাত নীতিমূলক ও ধর্মীয় অনুবাদের কাব্য যা তিনি লোরেনের রাজসভার আমির সোলাইমানের অনুরোধে রচনা করেন। উদাহরণ ২: সয়ফুলমুলুক বদুউজামাল ব্যাখ্যা: এটি আলাওলের আরেকটি বিখ্যাত প্রণয়োপাখ্যানমূলক পুঁথি যা রোসাঙ্গের আরেক মন্ত্রী সৈয়দ মোহাম্মদের অনুরোধে রচিত হয়েছিল। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ড. আহমদ শরীফ — তিনি আলাওলের পদ্মাবতী পুঁথির নির্ভরযোগ্য এবং প্রামাণ্য সংস্করণ হিসেবে ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর সঙ্গে বা এককভাবে বাংলা একাডেমির পক্ষে সম্পাদনার কাজ করেছেন কিন্তু প্রথম আবিষ্কারক ও সম্পাদক নন। B) ড. সুকুমার সেন — তিনি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস রচয়িতা ও বিশিষ্ট গবেষক যিনি মধ্যযুগের নানা পুঁথি নিয়ে কাজ করলেও পদ্মাবতীর মূল সম্পাদক নন। C) ড. মুহম্মদ এনামূল হক — তিনি মধ্যযুগের সাহিত্য ও আরাকান রাজসভার মুসলিম কবিদের নিয়ে গভীর গবেষণা করলেও এই পুঁথির মূল সম্পাদক হিসেবে পরিচিত নন। D) আব্দুল করিম সাহিত্য বিশারদ — প্রদত্ত সঠিক উত্তর কারণ তিনি চট্টগ্রামের বিভিন্ন স্থান থেকে প্রাচীন ও মধ্যযুগের বহু দুষ্প্রাপ্য পুঁথি সংগ্রহ ও সম্পাদনা করেন যার মধ্যে পদ্মাবতী অন্যতম। ৫ মনে রাখার টিপস: - প্রাচীন পুঁথি সংগ্রহ ও সংরক্ষণের ক্ষেত্রে আব্দুল করিম সাহিত্য বিশারদের নাম সবার আগে আসে। - পদ্মাবতী পুঁথির প্রথম উদ্ধারকর্তা ও সম্পাদক মনে রাখার জন্য সাহিত্য বিশারদ পদটি মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মধ্যযুগের পুঁথি সাহিত্য থেকে বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - পুঁথি সংগ্রহ এবং প্রাচীন সাহিত্য উদ্ধারে আব্দুল করিম সাহিত্য বিশারদের অবদান অতুলনীয়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0