প্রশ্নের বর্ণনা

a অভ্যন্তরীন
b অভ্যন্তরীণ
c আভ্যন্তরীণ
d আভ্যন্তরীন
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অভ্যন্তরীণ ১. কেন সঠিক: অভ্যন্তরীণ শব্দটিতে সঠিক প্রত্যয় ও বানানরীতি ব্যবহার করা হয়েছে। অভ্যন্তর শব্দের সঙ্গে ঈয় প্রত্যয় যুক্ত হয়ে এই বিশেষ্য বা বিশেষণ পদটি গঠিত হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: সংস্কৃত ব্যাকরণ অনুযায়ী অভ্যন্তর শব্দের সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত করার সময় শব্দের ভেতরের স্বরধ্বনির পরিবর্তন ঘটে। এখানে অন্ত্য বা মধ্যবর্তী স্বরে পরিবর্তন বা ই-কার যুক্ত করার নিয়ম নিখুঁতভাবে মানা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আভ্যন্তরীন বানানটি ভুল কারণ আ দিয়ে শুরু করলে ভেতরের অর্থ প্রকাশে ত্রুটি হয়। ব্যাখ্যা: মূল শব্দ অভ্যন্তর, তাই সঠিক রূপ পেতে আ-কার যোগ করা যাবে না। উদাহরণ ২: প্রশাসনিক কাজে অভ্যন্তরীণ যোগাযোগ শব্দটি বহুল ব্যবহৃত হয়। ব্যাখ্যা: এখানে ভেতরের বা প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব বোঝাতে অভ্যন্তরীণ বানানটি প্রমিতরূপে ব্যবহার করা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অভ্যন্তরীন — এই বানানে মূল শব্দের শুরুতে অ ঠিক থাকলেও শেষের দিকে ভুল বানানে ঈ-কার ও মূর্ধন্য ন ব্যবহার করা হয়েছে। B) অভ্যন্তরীণ — এটি বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী শতভাগ সঠিক ও গ্রহণযোগ্য বানান। C) আভ্যন্তরীণ — এই বানানে শব্দের আদিতে ভুলভাবে আ-কার যুক্ত করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে অশুদ্ধ। D) আভ্যন্তরীন — এই অপশনে আদিতে অতিরিক্ত আ-কার এবং অন্তে ভুল প্রত্যয় যুক্ত করার দ্বিগুণ ভুল রয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: মূল শব্দ অভ্যন্তর মনে রাখলে এই বানান সহজে আয়ত্ত করা যায়। অভ্যন্তর শব্দের শেষে শুধু ন যোগ করে বানানটি মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই বানানটি প্রায়ই আসে কারণ শিক্ষার্থীরা প্রায়ই আভ্যন্তরীন লিখে ভুল করে। বানান শুদ্ধির ক্ষেত্রে মূল শব্দের গঠন ও প্রত্যয়যুক্ত রূপ ভালোভাবে লক্ষ করতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0