প্রশ্নের বর্ণনা

a ইস্তাম্বুল যাত্রীর পত্র
b চলে মুসাফির
c বিলেতে সাড়ে সাতশ দিন
d আমার তুরস্ক
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) চলে মুসাফির ১. কেন সঠিক: চলে মুসাফির গ্রন্থটি বাংলাদেশের প্রখ্যাত সাহিত্যিক ও পল্লীকবি জসীম উদ্দীনের একটি বিখ্যাত ভ্রমণ কাহিনীমূলক গ্রন্থ। এই গ্রন্থে লেখকের বিদেশ ভ্রমণের অভিজ্ঞতা, নানা দেশের মানুষের জীবনযাত্রা এবং সংস্কৃতির সুন্দর ও সহজবোধ্য বর্ণনা রয়েছে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: জসীম উদ্দীন ছিলেন বিংশ শতাব্দীর বাঙালি কবি ও লেখক যিনি পল্লীকবি হিসেবে সর্বাধিক পরিচিত। তার এই ভ্রমণ কাহিনীটি তার গদ্যসাহিত্যের একটি অনন্য নিদর্শন যা পাঠকদের ভিন্ন সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হলুদ বরণ ব্যাখ্যা: এটি জসীম উদ্দীনের লেখা একটি বিখ্যাত ভ্রমণ কাহিনী যা তার ভ্রমণসাহিত্যের দক্ষতার পরিচয় দেয়। উদাহরণ ২: যে দেশে মানুষ বড় ব্যাখ্যা: এটিও জসীম উদ্দীনের রচিত একটি জনপ্রিয় ভ্রমণ বিষয়ক গ্রন্থ যা বিভিন্ন দেশের মানুষের জীবনকে তুলে ধরে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইস্তাম্বুল যাত্রীর পত্র — এটি সৈয়দ মুজতবা আলীর বিখ্যাত ভ্রমণ কাহিনী, জসীম উদ্দীনের নয়। B) চলে মুসাফির — এটি জসীম উদ্দীনের ভ্রমণ কাহিনীমূলক গ্রন্থ হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর। C) বিলেতে সাড়ে সাতশ দিন — এটি প্রমথ চৌধুরীর লেখা একটি বিখ্যাত ভ্রমণ কাহিনীমূলক গ্রন্থ। D) আমার তুরস্ক — এটি অন্য কোনো লেখকের ভ্রমণ বিষয়ক রচনা, যা জসীম উদ্দীনের নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: জসীম উদ্দীনের ভ্রমণ কাহিনী মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো যে তিনি মুসাফিরের মতো ঘুরে বেড়িয়ে চলে মুসাফির ও হলুদ বরণ গ্রন্থ লিখেছেন। লেখক ও তার ভ্রমণ কাহিনীগুলোর নাম একত্রে নোট করে বারবার পড়লে পরীক্ষার হলে সহজে মনে রাখা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভ্রমণ কাহিনী থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে তাই বিখ্যাত লেখকদের ভ্রমণ কাহিনীগুলো আলাদা করে পড়তে হবে। সৈয়দ মুজতবা আলী, প্রমথ চৌধুরী এবং জসীম উদ্দীনের ভ্রমণ সাহিত্যগুলো বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0