প্রশ্নের বর্ণনা

a সংস্কৃত
b ফারসী
c হিন্দি
d আরবী
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) হিন্দি ১. কেন সঠিক: - ‘পানি’ শব্দটি উৎসগতভাবে হিন্দি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে। - বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত আগন্তুক বা বৈদেশিক শব্দের মধ্যে হিন্দি শব্দ একটি অন্যতম প্রধান উৎস। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - উৎসের দিক থেকে বাংলা ভাষার শব্দসমূহকে তৎসম, অর্ধ-তৎসম, তদ্ভব, দেশি এবং বিদেশি এই পাঁচ ভাগে ভাগ করা হয়। - বিদেশি শব্দের মধ্যে আরবি, ফারসি, ইংরেজি ছাড়াও হিন্দি, গুজরাটি, পাঞ্জাবি ইত্যাদি ভাষা থেকে বেশ কিছু শব্দ বাংলায় স্থান করে নিয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হিন্দি শব্দ 'চাহিদা' ব্যাখ্যা: এটি হিন্দি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় আগত একটি অত্যন্ত পরিচিত শব্দ যা দৈনন্দিন ও দাপ্তরিক কাজে বহুল ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: হিন্দি শব্দ 'রসুলা' ব্যাখ্যা: এটিও হিন্দি উৎস থেকে বাংলায় প্রচলিত একটি শব্দ যা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই শব্দের উৎস হিসেবে আসে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সংস্কৃত — ‘পানি’ শব্দটি সংস্কৃত ভাষার সরাসরি শব্দ নয়, সংস্কৃত ভাষায় পানির প্রতিশব্দ হলো জল বা উদক। B) ফারসী — ফারসি ভাষা থেকে বাংলায় হাজারো শব্দ এলেও ‘পানি’ শব্দটি ফারসি উৎস থেকে আসেনি। D) আরবী — আরবি ভাষা থেকেও বাংলা ভাষায় অনেক শব্দ এসেছে, তবে ‘পানি’ আরবি শব্দ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - বাঙালি সমাজে বহুল ব্যবহৃত পানীয় পানের উপাদান 'পানি' শব্দটি হিন্দি ভাষার দান হিসেবে মনে রাখতে পারো। - বিদেশি শব্দের উৎস নির্ণয়ে শব্দের ধ্বনিগত রূপ এবং প্রমিত বাংলা অভিধানের সাহায্য নেওয়া সবচেয়ে নিরাপদ উপায়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য চাকরির পরীক্ষায় শব্দের উৎস থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে, তাই হিন্দি ও অন্যান্য বিদেশি শব্দের তালিকা ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে। - একই নিয়মে ‘থানা’, ‘টাকা’, ‘লাঠিয়াল’ ইত্যাদি শব্দও হিন্দি উৎস থেকে বাংলায় এসেছে তা মনে রাখা জরুরি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0