প্রশ্নের বর্ণনা

a সমাচার দর্পণ
b কৃপার শাস্ত্রের অর্থভেদ
c সেক শুভোদয়া
d আলালের ঘরের দুলাল
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কৃপার শাস্ত্রের অর্থভেদ ১. কেন সঠিক: বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুদ্রিত এবং গদ্যে রচিত গ্রন্থ হলো ম্যানুয়েল দ্য আস্‌সুম্পসাঁও রচিত কৃপার শাস্ত্রের অর্থভেদ। এটি পর্তুগিজ ভাষার লিসবন শহর থেকে ১৭৪৩ সালে বাংলা অক্ষরে মুদ্রিত হয়ে প্রকাশিত হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: এই গ্রন্থটির রচয়িতা পর্তুগিজ পাদ্রি ম্যানুয়েল দ্য আস্‌সুম্পসাঁও যিনি ঢাকায় ধর্ম প্রচারের সময় বাংলা ভাষায় এটি রচনা করেন। এটি বাংলা গদ্য সাহিত্যের আদি নিদর্শন এবং এর মাধ্যমেই প্রথম বাংলা গদ্য মুদ্রণযন্ত্রের মুখ দেখে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ব্রজবুলি ভাষার প্রথম কবি বিদ্যাপতি। ব্যাখ্যা: এটি সাহিত্যের আদি নিদর্শন সম্পর্কিত আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। উদাহরণ ২: বাংলা ভাষার প্রথম ব্যাকরণ প্রকাশ করেন ম্যানুয়েল দ্য আস্‌সুম্পসাঁও। ব্যাখ্যা: এটি একই লেখকের আরেকটি ঐতিহাসিক অবদান। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সমachar দর্পণ — এটি বাংলা ভাষার প্রথম সাপ্তাহিক সংবাদপত্র এবং ১৮১৮ সালে প্রকাশিত হয়, যা কোনো গদ্যগ্রন্থ নয়। B) কৃপার শাস্ত্রের অর্থভেদ — এটি সঠিক উত্তর, তাই এর কোনো ভুল ব্যাখ্যা নেই। C) সেক শুভোদয়া — এটি বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন বা মধ্যযুগের মিশ্র ভাষার গদ্যে রচিত গ্রন্থ হলেও প্রথম মুদ্রিত গদ্যগ্রন্থ নয়। D) আলালের ঘরের দুলাল — টেকচাঁদ ঠাকুর রচিত এই উপন্যাসটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস, প্রথম গদ্যগ্রন্থ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: কৃপার শাস্ত্রের অর্থভেদ হলো প্রথম গদ্যগ্রন্থ এবং এর লেখক ম্যানুয়েল। নামটি মনে রাখলে প্রথম মুদ্রিত গদ্যগ্রন্থের ইতিহাস সহজে মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা গদ্যের বিকাশে পাদ্রিদের অবদান এবং মুদ্রণ সংস্কৃতির ইতিহাস থেকে বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে। প্রথম মুদ্রিত বই এবং প্রথম উপন্যাসের পার্থক্য সবসময় মনে রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0