প্রশ্নের বর্ণনা

a আজীবন
b আরক্তিম
c আগাছা
d আলুনী
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আরক্তিম ১. কেন সঠিক: - আরক্তিম শব্দটি ঈষৎ বা সামান্য অর্থে অব্যয়ীভাব সমাস নিষ্পন্ন করেছে। - এখানে আ উপসর্গটি সমাসবদ্ধ পদে ঈষৎ বা সামান্য লাল আভা বোঝাতে যুক্ত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - অব্যয়ীভাব সমাসে পূর্বপদে অব্যয় যুক্ত হয়ে যদি আভা, সামান্য বা ঈষৎ অর্থ প্রকাশ করে তবে তাকে ঈষৎ অর্থে অব্যয়ীভাব সমাস বলে। - আ যুক্ত হয়ে কোনো পদের পূর্বে সামান্য বা ঈষৎ ভাব বোঝালে তা এই নিয়মের আওতাভুক্ত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: আরক্ত ব্যাখ্যা: আরক্ত শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো ঈষৎ রক্ত বা সামান্য লাল, যা ঈষৎ অর্থে অব্যয়ীভাব সমাসের উদাহরণ। উদাহরণ ২: আশ্বাস ব্যাখ্যা: আশ্বাস শব্দের ক্ষেত্রে আ উপসর্গটি বিশেষ ভাব প্রকাশ করে, তবে ঈষৎ অর্থে আরক্তিম ও আরক্ত সবচেয়ে প্রচলিত উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আজীবন — আজীবন শব্দের ব্যাসবাক্য জীবন পর্যন্ত এবং এটি যাবৎ বা পর্যন্ত অর্থে অব্যয়ীভাব সমাসের উদাহরণ। B) আরক্তিম — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি ঈষৎ অর্থে অব্যয়ীভাব সমাসের নিয়ম অনুযায়ী গঠিত হয়েছে। C) আগাছা — আগাছা শব্দের ব্যাসবাক্য মন্দ গাছ বা কুৎসিত গাছ এবং এটি কু অর্থ বা মন্দ অর্থে অব্যয়ীভাব সমাস। D) আলুনী — আলুনী শব্দের ব্যাসবাক্য লবণের অভাব এবং এটি অভাব অর্থে অব্যয়ীভাব সমাসের একটি উপযুক্ত উদাহরণ। ৫. মনে রাখার টিপস: - আ উপসর্গযুক্ত কোনো শব্দ যদি রঙের সামান্য আভা বোঝায়, তবে চোখ বন্ধ করে তাকে ঈষৎ অর্থে অব্যয়ীভাব সমাস হিসেবে চিহ্নিত করবে। - যেমন আরক্তিম বা আরক্ত দেখলে ঈষৎ অর্থ মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপসর্গভিত্তিক অব্যয়ীভাব সমাস প্রায়ই আসে। - অভাব, সমীপ, পশ্চাৎ এবং ঈষৎ অর্থে অব্যয়ীভাব সমাসের পার্থক্য ভালোভাবে আয়ত্ত করবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0