প্রশ্নের বর্ণনা

a কষ্ট
b উপনিষৎ
c কল্যাণীয়েমু
d আষাঢ়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) আষাঢ় ১. কেন সঠিক: নিত্য মূর্ধন্য-ষ বলতে সেই ষ কে বোঝায় যা স্বভাবতই বা প্রাকৃতিকভাবেই শব্দে মূর্ধন্য-ষ হিসেবে বসে এবং এর জন্য কোনো ষত্ব বিধানের নিয়মের প্রয়োজন হয় না। আষাঢ় একটি তৎসম শব্দ যেখানে মূর্ধন্য-ষ জন্মলগ্ন থেকেই নির্ধারিত রয়েছে এবং এটি কোনো নিয়ম মেনে পরিবর্তিত হয় না। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা ব্যাকরণে তৎসম শব্দে স্বভাবতই মূর্ধন্য-ষ ব্যবহারের কিছু নির্দিষ্ট শব্দ রয়েছে যা কোনো নিয়ম বা সূত্র ছাড়াই সর্বদা মূর্ধন্য-ষ যুক্ত হয়ে গঠিত হয়। যেমন ভাষা, আষাঢ়, ভাষণ, মানুষের মুখনিঃসৃত ধ্বনিতে বা প্রাকৃতিকভাবে প্রচলিত এসব শব্দে ষ-ত্ব বিধানের বাইরের রূপ দেখা যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভাষা ব্যাখ্যা: ভাষা শব্দটিতে স্বভাবতই মূর্ধন্য-ষ ব্যবহৃত হয়েছে যা নিত্য মূর্ধন্য-ষ এর একটি অত্যন্ত প্রচলিত এবং পরীক্ষামুখী উদাহরণ। উদাহরণ ২: ভাষণ ব্যাখ্যা: ভাষণ শব্দটির বানানেও কোনো নিয়ম খাটে না, এটি স্বভাবতই মূর্ধন্য-ষ নিয়ে গঠিত নিত্য মূর্ধন্য-ষ এর সঠিক উদাহরণ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কষ্ট — কষ্ট শব্দটিতে যে ষ যুক্ত হয়েছে তা মূলত ট বর্গের আগের যুক্তবর্ণের নিয়মে স্বভাবজাত কারণে না হয়ে ষ-ত্ব বিধানের সাধারণ নিয়মে ট ঠ এর সাথে ষ যুক্ত হওয়ার কারণে এসেছে। B) উপনিষৎ — উপনিষৎ শব্দটিতে যে ষ ব্যবহৃত হয়েছে তা ষ-ত্ব বিধানের নিয়ম এবং তৎসম শব্দের মূল রূপের কারণে এসেছে কিন্তু এটি নিত্য মূর্ধন্য-ষ এর একক উদাহরণ হিসেবে ধরা হয় না। C) কল্যাণীয়েমু — কল্যাণীয়েমু অপশনটি একটি অর্থহীন বা ভুল শব্দ গঠন হিসেবে এখানে যুক্ত হয়েছে এবং এর সাথে নিত্য মূর্ধন্য-ষ এর কোনো ব্যাকরণগত সম্পর্ক নেই। D) আষাঢ় — আষাঢ় শব্দটিতে কোনো নিয়ম বা সূত্র ছাড়াই স্বভাবতই মূর্ধন্য-ষ বসেছে যা নিত্য মূর্ধন্য-ষ এর সঠিক উত্তর। ৫. মনে রাখার টিপস: নিত্য মূর্ধন্য-ষ মনে রাখার জন্য আশাড়, ভাষা, ভাষণ, ষড়িষা এই শব্দগুলো একটি ছোট বাক্যে বা ছন্দে মুখস্থ রাখতে পারো। স্বভাবতই মূর্ধন্য-ষ যুক্ত শব্দগুলো ব্যাকরণের কোনো নিয়ম না মেনে প্রাকৃতিকভাবেই মূর্ধন্য-ষ গ্রহণ করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নিত্য মূর্ধন্য-ষ এবং স্বভাবজাত মূর্ধন্য-ষ এর শব্দগুলো প্রায়ই সরাসরি অপশন থেকে প্রশ্ন হিসেবে আসে। আষাঢ়, ভাষা, ভাষণ, ষাঁড় এই শব্দগুলোর বানান বার বার চর্চা করলে পরীক্ষায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0