প্রশ্নের বর্ণনা

a সংস্কৃত
b পৌরাণিক
c ফারসি
d ইংরেজি
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ফারসি ১. কেন সঠিক: - চণ্ডীচরণ মুনশীর 'তোতা ইতিহাস' গ্রন্থটি ১৮০৫ সালে ফারসি ভাষা থেকে বাংলায় অনূদিত হয়। - এটি মূলত ফারসি ভাষার বিখ্যাত গল্পগ্রন্থ 'তুতিনামা' অবলম্বনে রচিত একটি গদ্যগ্রন্থ। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - উইলিয়াম কেরির উদ্যোগে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের নির্দেশক্রমে বাংলা গদ্যের সূচনা পর্বে এই অনুবাদ গ্রন্থটি রচিত হয়। - বাংলা গদ্যের আদি যুগে সহজবোধ্য ভাষা তৈরির ক্ষেত্রে এই ধরনের অনুবাদ গ্রন্থগুলো বিশেষ ভূমিকা পালন করেছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার রচিত 'বাটত্রিশ সিংহাসন' (১৮০২) ব্যাখ্যা: এটিও ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের ফরমান অনুযায়ী সংস্কৃত ভাষা থেকে বাংলায় অনূদিত একটি গদ্যগ্রন্থ। উদাহরণ ২: রামরাম বসুর 'রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র' (০১৮০১) ব্যাখ্যা: এটি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ থেকে প্রকাশিত প্রথম মৌলিক বাংলা গদ্যগ্রন্থগুলোর অন্যতম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সংস্কৃত — সংস্কৃত ভাষা থেকে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের অনেক গ্রন্থ অনূদিত হলেও 'তোতা ইতিহাস' সংস্কৃত থেকে অনূদিত হয়নি। B) পৌরাণিক — পৌরাণিক কোনো ভাষা নয়, এটি সাহিত্যের একটি বিষয়বস্তু বা ধারা মাত্র। D) ইংরেজি — উনিশ শতকের শুরুর দিকে ইংরেজি ভাষা থেকে সরাসরি এই গ্রন্থটি অনূদিত হয়নি। ৫ মনে রাখার টিপস: - তোতা পাখির মতো ফারসি বুলি ফোটে, এভাবে মনে রাখতে পারো যে 'তোতা ইতিহাস' ফারসি ভাষা থেকে অনূদিত। - ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের অনুবাদ গ্রন্থগুলোর উৎস ভাষা আলাদা হয়, তাই গ্রন্থ ও উৎসের নাম জোড়া মিলিয়ে পড়বে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পন্ডিতদের অনুবাদ গ্রন্থগুলোর নাম এবং তাদের উৎস ভাষা বিসিএস পরীক্ষার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। - ১৮০৫ সালে প্রকাশিত চণ্ডীচরণ মুনশীর 'তোতা ইতিহাস' বাংলা গদ্যের ইতিহাসে একটি উল্লেখযোগ্য সংযোজন।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0