প্রশ্নের বর্ণনা

a ইন্দো-জার্মানীয়
b বাল্টো-শ্লাভিয়ান
c ইন্দো-ইরানীয়
d ইন্দো-ইউরোপীয়
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ইন্দো-ইউরোপীয় ১. কেন সঠিক: ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা পরিবারের একটি প্রধান শাখা হলো শতুম শাখা, যার অন্তর্গত হলো ইন্দো-ইরানীয় এবং সেখান থেকে উদ্ভূত হয়েছে বাংলা ভাষা। পৃথিবীর প্রধান ভাষা বংশগুলোর মধ্যে ইন্দো-ইউরোপীয় পরিবার থেকেই বাংলা ভাষার জন্ম ও বিকাশ লাভ করেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: ভাষা, উপভাষা ও বাংলা ভাষার ইতিহাস সম্পর্কিত এই প্রশ্নটি ভাষা বংশের শ্রেণীবিভাগের আওতাভুক্ত। ডক্টর সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে আনুমানিক খ্রিষ্টীয় দশম শতকে ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা বংশের প্রাকৃত স্তর থেকে বাংলা ভাষার জন্ম হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ইংরেজি ভাষা ব্যাখ্যা: ইংরেজি ভাষাটিও ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা পরিবারের অন্তর্গত একটি বিশ্বভাষা। উদাহরণ ২: হিন্দি ভাষা ব্যাখ্যা: হিন্দি ভাষা ইন্দো-ইরানীয় শাখার অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় এটিও বাংলা ভাষার মতো ইন্দো-ইউরোপীয় পরিবারের অংশ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইন্দো-জার্মানীয় — এটি ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা পরিবারেরই একটি পুরনো নাম, কিন্তু আধুনিক ভাষা বিজ্ঞানে সুনির্দিষ্টভাবে ইন্দো-ইউরোপীয় ব্যবহার করা হয়। B) বাল্টো-শ্লাভিয়ান — এটি ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা পরিবারের একটি শাখা হলেও এর সাথে বাংলা ভাষার সরাসরি কোনো সম্পর্ক নেই। C) ইন্দো-ইরানীয় — এটি ইন্দো-ইউরোপীয় পরিবারের একটি উপশাখা, যার থেকে বাংলা সরাসরি আসেনি বরং এর একটি সমান্তরাল শাখা থেকে বাংলা এসেছে। D) ইন্দো-ইউরোপীয় — এটি সঠিক কারণ বাংলা ভাষা মূল genealogical সম্পর্ক অনুসারে এই পরিবারেরই সন্তান। ৫. মনে রাখার টিপস: বাংলাদেশ বা বাংলার মূল উৎস খুঁজতে গেলে ইউরোপ পর্যন্ত যাওয়া যায়, তাই মনে রাখতে হবে বাংলা হলো ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষার বংশধর। ভাষা বংশের প্রশ্ন এলেই মাথার প্রথমে ইন্দো-ইউরোপীয় নামটিকে প্রধান হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলা ভাষার জন্মকাল এবং এর বংশপরিচয় নিয়ে প্রশ্ন প্রায়ই আসে। ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে বাংলার উৎপত্তি সপ্তম শতক এবং ডক্টর সুনীতিকুমারের মতে দশম শতক, তবে উভয় মতেই মূল পরিবার ইন্দো-ইউরোপীয়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0