প্রশ্নের বর্ণনা

a হাসন রাজা
b সুলতান মিয়াজী
c আলাউদ্দিন খাঁ
d ঈসা খাঁ
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) হাসন রাজা ১. কেন সঠিক: - হাসন রাজা বাংলার মরমী সাধনা ও লোকসাহিত্যের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র, যাঁর গানে পরম সত্তার সঙ্গে মানবাত্মার মিলনের আকুতি প্রকাশ পেয়েছে। - মরমী কবি বলতে এমন সাধক কবিদের বোঝায় যাঁরা আধ্যাত্মিক সাধনা, সৃষ্টিকর্তার প্রেম এবং আত্মোপলব্ধিকে তাঁদের কাব্যের মূল সুর হিসেবে ধারণ করেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - হাসন রাজা ১৮৫৪ সালের ২১ ডিসেম্বর সুনামগঞ্জের লক্ষণশ্রীতে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯২২ সালের ৬ ডিসেম্বর মৃত্যুবরণ করেন। - তাঁর প্রকৃত নাম মরমী সাধক দেওয়ান হাসন রাজা চৌধুরী এবং তাঁর রচিত বিখ্যাত গানের সংকলন হলো হাসন উদাস। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হাসন রাজার গান লোকে বলে বলেরে ঘর বাড়ি ভালা না আমার। ব্যাখ্যা: এই গানে কবির মরমী চেতনা ও নশ্বর পৃথিবীর প্রতি বৈরাগ্য প্রকাশ পেয়েছে। উদাহরণ ২: আরেকটি বিখ্যাত গান নেশা লাগিল রে বাঁকা দুই নয়নে নেশা লাগিল রে। ব্যাখ্যা: এটি হাসন রাজার প্রেম ও আধ্যাত্মিক ভাবনার এক অনন্য সৃষ্টি যা মরমী ধারার গান হিসেবে সমাদৃত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হাসন রাজা — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি বাংলা মরমী সংস্কৃতির প্রধান পুরোধা ব্যক্তিত্ব হিসেবে ব্যাপকভাবে পরিচিত। B) সুলতান মিয়াজী — তিনি একজন বিশিষ্ট ব্যক্তি বা ঐতিহাসিক চরিত্র হতে পারেন তবে বাংলা সাহিত্যে তাঁকে প্রধান মরমী কবি হিসেবে গণ্য করা হয় না। C) আলাউদ্দিন খাঁ — তিনি উপমহাদেশের একজন প্রখ্যাত ভারতীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের ওস্তাদ ও সুরকার তবে মরমী কবি নন। D) ঈসা খাঁ — তিনি বাংলার বারো ভূঁইয়ার অন্যতম প্রধান সেনাপতি ও শাসক ছিলেন, কোনো কবি বা মরমী সাধক নন। ৫ মনে রাখার টিপস: - মরমী কবি বললেই সুনামগঞ্জের জমিদার সাধক হাসন রাজার নাম মনে রাখবে যাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ হাসন উদাস। - হাসন রাজার গানে দেহতত্ত্ব ও আধ্যাত্মিকতার যে প্রকাশ ঘটে তা তাঁকে অন্য সাধারণ লোককবিদের থেকে আলাদা করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মরমী সাহিত্য ও লোকসাহিত্য থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে তাই লালন শাহ ও হাসন রাজার অবদান মনে রাখা জরুরি। - এই ধরনের প্রশ্নে অপশনের ঐতিহাসিক ও সাহিত্যিক পরিচিতি ভালোভাবে খেয়াল করলে সঠিক উত্তর খুব সহজে নির্ণয় করা সম্ভব।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0