প্রশ্নের বর্ণনা

a অ এবং ই
b এ এবং ই
c ও এবং ই
d উ এবং ই
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অ এবং ই ১. কেন সঠিক: সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী অ অথবা আ এর পর ই অথবা ঈ থাকলে উভয়ে মিলে এ কার হয় এবং এ এর সঙ্গে অ যুক্ত হয়ে ঐ কার গঠিত হয়। ঐ একটি যৌগিক স্বরধ্বনি বা দিভথং যা দুটি ভিন্ন স্বরের মিলনে তৈরি হয়েছে এবং এটি উচ্চারণের সময় অ ও ই এর মিলিত রূপ প্রকাশ করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: বাংলা বর্ণমালায় ঐ এবং ঔ হলো দুটি যৌগিক স্বরবর্ণ বা সান্ধ্যক্ষর। এগুলি দুটি আলাদা স্বরধ্বনি মিলে তৈরি হয় বলে এদের যৌগিক স্বরধ্বনি বলা হয় এবং উচ্চারণের সময় মুখবিবর পরিবর্তিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মত + ঐক্য = মতৈক্য ব্যাখ্যা: এখানে অ এবং ঐ মিলে ঐ ধ্বনির সৃষ্টি হয়েছে যা যৌগিক স্বরের একটি প্রকৃষ্ট উদাহরণ। উদাহরণ ২: মহা + ঐশ্বর্য = মহৈশ্বর্য ব্যাখ্যা: এখানে আ এবং ঐ মিলে ঐ ধ্বনির সৃষ্টি হয়েছে যা সন্ধির নিয়মের আওতাধীন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অ এবং ই — এই অপশনটি সঠিক কারণ অ ও ই মিলে এ এবং পরবর্তীতে তার সঙ্গে স্বরধ্বনি যুক্ত হয়ে ঐ ধ্বনি উৎপন্ন হয়। B) এ এবং ই — এই অপশনটি ভুল কারণ এ এবং ই মিলে সাধারণত অন্য ধ্বনি তৈরি হয় যা ঐ ধ্বনির উৎপত্তির সঠিক নিয়ম নয়। C) ও এবং ই — এই অপশনটি ভুল কারণ ও এবং ই এর মিলিত প্রভাবে ঔ ধ্বনি বা অন্য কোনো যৌগিক স্বর সৃষ্টি হতে পারে, ঐ নয়। D) উ এবং ই — এই অপশনটি ভুল কারণ উ এবং ই সম্পূর্ণ ভিন্ন দুটি স্বরধ্বনি এবং এদের মিলনে ঐ ধ্বনি তৈরি হয় না। ৫. মনে রাখার টিপস: ঐ স্বরবর্ণটি তৈরি হয় অ এবং ই এর মিলিত ধ্বনি থেকে এবং ঔ তৈরি হয় অ এবং উ এর মিলিত ধ্বনি থেকে। এই নিয়মটি মনে রাখলে পরীক্ষার হলে যৌগিক স্বরধ্বনি সংক্রান্ত প্রশ্ন সহজে সমাধান করা সম্ভব। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা ব্যাকরণে যৌগিক স্বরজ্ঞাপক বর্ণ দুটি হলো ঐ এবং ঔ। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধরনের ধ্বনি ও বর্ণ সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে, তাই স্বরবর্ণের গঠন ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0