প্রশ্নের বর্ণনা

a মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালষ্কার
b প্যারীচাঁদ মিত্র
c ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
d উইলিয়াম কেরি
0 10 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) প্যারীচাঁদ মিত্র ১. কেন সঠিক: - 'আলালের ঘরের দুলাল' বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস এবং এর রচয়িতা প্যারীচাঁদ মিত্র। - এই উপন্যাসের মাধ্যমে বাংলা উপন্যাসের ধারায় সাধু ও প্রমিত রীতির পরিবর্তে প্রথম বারের মতো সহজ ও সাবলীল কথ্য ভাষা বা প্রমিত আলাপী ভাষা ব্যবহৃত হয়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - প্যারীচাঁদ মিত্র বাংলা উপন্যাসের জনক এবং তিনি 'টেকচাঁদ ঠাকুর' ছদ্মনামে লেখালেখি করতেন। - ১৮৫৮ সালে প্রকাশিত এই উপন্যাসে তৎকালীন বাঙালি সমাজের ধনী পরিবারের সন্তানদের অবক্ষয় ও অপসংস্কৃতির চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: টেকচাঁদ ঠাকুর ব্যাখ্যা: প্যারীচাঁদ মিত্রের ছদ্মনাম ছিল টেকচাঁদ ঠাকুর, যা তিনি তাঁর সাহিত্যকর্মে ব্যবহার করতেন। উদাহরণ ২: হুতোম প্যাঁচা ব্যাখ্যা: এটি কালীপ্রসন্ন সিংহের ছদ্মনাম, যিনি 'হুতোম প্যাঁচার নকশা' নামক বিখ্যাত সামাজিক নকশা গ্রন্থ রচনা করেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালষ্কার — ইনি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের একজন পন্ডিত ছিলেন এবং তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ 'বাতত্রিশ সিংহাসন', যা এই উপন্যাসের লেখক নন। B) প্যারীচাঁদ মিত্র — এই অপশনটি সঠিক এবং এটিই প্রশ্নের নির্ধারিত উত্তর। C) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — ইনি বাংলার অন্যতম প্রধান গদ্যশিল্পী ও সমাজসংস্কারক এবং তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ 'বেতাল পঞ্চবিংশতি'। D) উইলিয়াম কেরি — ইনি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের বাংলা বিভাগের প্রধান ছিলেন এবং 'কথোপকথন' গ্রন্থের রচয়িতা। ৫ মনে রাখার টিপস: - আলালের ঘরের দুলাল উপন্যাসের লেখক প্যারীচাঁদ মিত্র এবং তাঁর ছদ্মনাম টেকচাঁদ ঠাকুর মনে রাখতে 'টেকচাঁদ-প্যারীচাঁদ' ছন্দ মনে রাখা যায়। - প্রথম সার্থক উপন্যাস এবং এর রচয়িতা সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - 'আলালের ঘরের দুলাল' উপন্যাসটি ১৮৫৮ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম উপন্যাস হিসেবে স্বীকৃত। - একই ধরনের প্রশ্নে প্রায়ই টেকচাঁদ ঠাকুরের আসল নাম বা ছদ্মনাম জানতে চাওয়া হয়, যা ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0