প্রশ্নের বর্ণনা

a সপ্তদশ শতাব্দীর মধ্য ভাগে
b অষ্টাদশ শতাব্দীর প্রথম ভাগে
c অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষ ভাগে
d উনবিংশ শতাব্দীতে
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষ ভাগে ১. কেন সঠিক: কবিগান ও পুঁথিসাহিত্যের পূর্ণ বিকাশ ও ব্যাপক প্রচলন ঘটে মূলত অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষ ভাগে। এ সময় মধ্যযুগের অবসান ও আধুনিক যুগের সূচনাপর্বে লোকসাহিত্যের এই শাখাগুলো বিশেষ জনপ্রিয়তা লাভ করে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: কবিগান হলো গ্রামীণ জনগণের বিনোদনের মাধ্যম যেখানে দুই পক্ষের কবিরা ছন্দে ছন্দে বিতর্ক করতেন। পুঁথিসাহিত্য মূলত মধ্যযুগের শেষ ও আধুনিক যুগের শুরুর দিকে মিশ্র ভাষায় রচিত পদ্য কাহিনী যা জনসমাজে প্রচলিত ছিল। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গোয়েলচন্দ্রের পুঁথি ব্যাখ্যা: এটি অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষ ভাগে রচিত জনপ্রিয় পুঁথিসাহিত্যের একটি বিশিষ্ট উদাহরণ। উদাহরণ ২: রামবসুর কবিগান ব্যাখ্যা: রামবসু ও ভোলা ময়রা অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষ ভাগে কবিগানের জন্য বিশেষভাবে বিখ্যাত ছিলেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সপ্তদশ শতাব্দীর মধ্য ভাগে — এই সময়টি মধ্যযুগের ইসলামী মঙ্গলকাব্য ও রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান রচনার স্বর্ণযুগ ছিল। B) অষ্টাদশ শতাব্দীর প্রথম ভাগে — এই সময়কালে ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর ও অন্যান্য কবিরা মঙ্গলকাব্য ও দরবারী সাহিত্যচর্চায় ব্যস্ত ছিলেন। D) উনবিংশ শতাব্দীতে — এই শতাব্দীতে গদ্যসাহিত্য, আধুনিক কবিতা ও উপন্যাসের বিকাশ ঘটে, যা কবিগানের যুগ নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: মধ্যযুগের শেষ এবং আধুনিক যুগের ঠিক আগে অর্থাৎ অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষ ভাগে কবিগান ও পুঁথিসাহিত্যের জয়জয়কার ছিল। যুগসন্ধিক্ষণের এই সময়টি লোকসাহিত্যের উন্নতির জন্য পরিচিত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় যুগসন্ধিক্ষণ এবং লোকসাহিত্যের উৎপত্তি কাল সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। কবিগানের বিখ্যাত রচিয়তাদিন সম্পর্কেও ধারণা রাখা দরকার।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0