প্রশ্নের বর্ণনা

a নবম শতকে
b ত্রয়োদশ শতকে
c ষোড়শ শতকে
d উনিশ শতকে
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উনিশ শতকে ১. কেন সঠিক: - বাংলা গদ্যের মূল বিকাশ ও প্রাতিষ্ঠানিক সূচনা ঘটে মূলত উনিশ শতকে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের হাত ধরে। - প্রাচীন ও মধ্যযুগে বাংলা সাহিত্য মূলত পদ্য বা কাব্যাকারে রচিত হতো, গদ্যের ব্যবহার ছিল না বললেই চলে। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - উনিশ শতককে বাংলা গদ্যের জন্মলগ্ন এবং বাংলা সাহিত্যের নবজাগরণের কাল বলা হয়। - ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, রামমোহন রায় ও বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এই শতকে বাংলা গদ্যকে পূর্ণতা দেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চণ্ডীদাসের শ্রীকৃষ্ণকীর্তন ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের নিদর্শন যা মূলত পদ্যে রচিত, গদ্যের কোনো অস্তিত্ব এখানে নেই। উদাহরণ ২: বিদ্যাসাগরের বেতালপঞ্চবিংশতি ব্যাখ্যা: এটি উনিশ শতকে প্রকাশিত গদ্যগ্রন্থ, যা বাংলা গদ্যের ভিত্তি মজবুত করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) নবম শতকে — এই সময়ে বাংলা ভাষার প্রথম নিদর্শন চর্যাপদ রচিত হয়েছিল, যা গদ্যে নয় বরং পদ্য বা গানের আকারে রচিত। B) ত্রয়োদশ শতকে — এই সময়ে শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের মতো মধ্যযুগের কাব্য রচিত হয়েছে, কিন্তু কোনো গদ্যগ্রন্থ রচিত হয়নি। C) ষোড়শ শতকে — এই সময়ে মধ্যযুগের বৈষ্ণব পদাবলী এবং মঙ্গলকাব্য রচিত হয়েছিল, গদ্যের চর্চা শুরু হয়নি। D) উনিশ শতকে — এই অপশনটি সঠিক কারণ এই শতাব্দীতেই বাংলা গদ্যের প্রকৃত সূচনা ও বিকাশ ঘটেছিল। ৫ মনে রাখার টিপস: মধ্যযুগ মানেই পদ্য এবং উনিশ শতক মানেই গদ্য। ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর উনিশ শতকেই বাংলায় গদ্য লেখার ধুম পড়ে যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা গদ্যের জনক ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর এবং বাংলা গদ্যের প্রথম সার্থক রূপকার বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় গদ্যের সূচনা কাল নিয়ে প্রশ্ন এলে চোখ বন্ধ করে উনিশ শতক দাগাতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0