প্রশ্নের বর্ণনা

a আত্মজীবনীমূলক
b রম্য রচনা
c ভ্রমণকাহিনী
d উপন্যাস
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ভ্রমণকাহিনী ১. কেন সঠিক: - সানাউল হকের ‘বন্দর থেকে বন্দরে’ একটি বিখ্যাত ভ্রমণকাহিনী যা বিভিন্ন দেশ ভ্রমণের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে রচিত। - ভ্রমণসাহিত্য বলতে লেখকের দেশবিদেশ ভ্রমণের বাস্তব অভিজ্ঞতা, দর্শনীয় স্থানের বিবরণ এবং ব্যক্তিগত অনুভূতির শৈল্পিক প্রকাশকে বোঝায়। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সানাউল হক একজন প্রখ্যাত বাংলাদেশী কবি, প্রাবন্ধিক ও সরকারি কর্মকর্তা ছিলেন যিনি তাঁর সাহিত্যকর্মের জন্য পরিচিত। - এই গ্রন্থটিতে লেখকের বিভিন্ন বন্দর ও সমুদ্র তীরবর্তী অঞ্চল ভ্রমণের রোমাঞ্চকর বিবরণ ও সাহিত্যিক রূপায়ণ ফুটে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সৈয়দ মুজতবা আলীর দেশে বিদেশে ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম সেরা একটি ভ্রমণকাহিনীমূলক গ্রন্থ যা লেখকের কাবুল ভ্রমণের অভিজ্ঞতার ওপর রচিত। উদাহরণ ২: জিললুর রহমান সিদ্দিকের পশ্চিমের জানালা ব্যাখ্যা: এটিও একটি প্রখ্যাত ভ্রমণকাহিনী যা লেখকের পশ্চিমা বিশ্ব ভ্রমণের মননশীল ও সুন্দর বিবরণ তুলে ধরে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আত্মজীবনীমূলক — কারণ এটি লেখকের নিজস্ব জীবনের সমগ্র ঘটনাবলির বিবরণ নয়, বরং নির্দিষ্ট ভ্রমণের অভিজ্ঞতাভিত্তিক। B) রম্য রচনা — কারণ বইটির মূল বিষয় হাস্যরস বা শ্লেষাত্মক কোনো বিষয় নয়, বরং বাস্তব ভ্রমণ অভিজ্ঞতা। D) উপন্যাস — কারণ এটি কোনো কাল্পনিক কাহিনীর ওপর ভিত্তি করে রচিত গদ্যশিল্প নয়, বরং বাস্তব ঘটনার বিবরণ। ৫ মনে রাখার টিপস: - সানাউল হকের নামের সাথে বন্দর শব্দ যুক্ত করে মনে রাখতে পারো যে তিনি বন্দর থেকে বন্দরে ঘুরে ভ্রমণকাহিনী লিখেছেন। - ভ্রমণকাহিনী মনে রাখার জন্য লেখকের নাম এবং পরিভ্রমণের বিষয়ের সম্পর্কটি ভালোভাবে খেয়াল রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রখ্যাত লেখকদের ভ্রমণকাহিনীর নাম জানতে চাওয়া হয়। - এই ধরনের প্রশ্ন সমাধানের জন্য বিখ্যাত লেখকদের ভ্রমণসাহিত্যগুলোর তালিকা আলাদা করে মুখস্থ রাখা উচিত।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0