প্রশ্নের বর্ণনা

a মধ্যপদলোপী
b উপমিত
c রূপক
d উপমান
0 13 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উপমান ১. কেন সঠিক: অরুণরাঙা শব্দটি উপমান কর্মধারয় সমাসের আওতায় পড়ে কারণ এখানে অরুণ বা সূর্যের লাল রঙের সঙ্গে তুলনাকৃত বস্তুর রাঙা বা লাল রঙের সরাসরি তুলনা করা হয়েছে। উপমান কর্মধারয় সমাসে সাধারণ ধর্মবাচক পদের সঙ্গে উপমেয় পদের তুলনা বুঝায় যেখানে সাধারণ ধর্ম উপস্থিত থাকে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: যেখানে সাধারণ গুণবাচক পদের সাথে উপমেয় পদের তুলনা বোঝায় এবং উপমান ও উপমেয়ের মধ্যে অভিন্নতা কল্পনা করা হয় না, তাকে উপমান কর্মধারয় সমাস বলে। অরুণরাঙা শব্দের ব্যাসবাক্য হলো অরুণের মত রাঙা, যেখানে অরুণ উপমান এবং রাঙা সাধারণ ধর্ম। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তুষারশুভ্র ব্যাখ্যা: তুষারের মত শুভ্র, এটি উপমান কর্মধারয় সমাসের একটি সাধারণ উদাহরণ। উদাহরণ ২: চন্দ্রমুখ ব্যাখ্যা: চন্দ্রের মত মুখ, এটি উপমিত কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ যা পরীক্ষার্থীদের মাঝে প্রায়ই বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মধ্যপদলোপী — এই সমাসে ব্যাসবাক্যের মাঝের পদ লুপ্ত হয় না, তাই এটি মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস নয়। B) উপমিত — এখানে উপমেয় ও উপমানের মধ্যে তুলনা বোঝানো হলেও সাধারণ ধর্ম সরাসরি উল্লেখ থাকে না, তাই এটি উপমিত নয়। C) রূপক — রূপক কর্মধারয় সমাসে উপমান ও উপমেয়ের মধ্যে অভেদ বা রূপ কল্পনা করা হয়, যা এখানে অনুপস্থিত। D) উপমান — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে উপমান পদের সঙ্গে সাধারণ ধর্মের তুলনা করা হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: উপমান কর্মধারয় সমাস চেনার সহজ উপায় হলো ব্যাসবাক্যে মত শব্দটি থাকবে এবং একটি সাধারণ গুণ বা ধর্ম সরাসরি দৃশ্যমান হবে। সূর্যের লাল রঙের মতো রাঙা বোঝাতে উপমান নিয়ম প্রযোজ্য হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপমান ও উপমিত কর্মধারয় সমাসের পার্থক্য নির্ণয় প্রায়ই আসে। ব্যাসবাক্যের শেষে সাধারণ গুণবাচক পদ থাকলে তা সাধারণত উপমান কর্মধারয় সমাস হিসেবে চিহ্নিত হয়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0