প্রশ্নের বর্ণনা

a উপমিত কর্মধারয়
b রূপক কর্মধারয়
c অলুক তৎপুরুষ
d উপমান কর্মধারয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) উপমিত কর্মধারয় ১. কেন সঠিক: অরুণরাঙা সমস্ত পদটির ব্যাসবাক্য হলো অরুণের মতো রাঙা। এখানে উপমেয় (রাঙা বা যা রাঙা) এবং উপমান (অরুণ বা সূর্য) পদের মধ্যে তুলনা বোঝানো হয়েছে এবং সাধারণ ধর্ম (রাঙা) প্রকাশ পেয়েছে। যে কর্মধারয় সমাসে উপমেয় পদের সাথে উপমানের তুলনা করা হয় এবং সাধারণ ধর্মটি উভয়ের মধ্যে দৃশ্যমান থাকে, তাকে উপমিত কর্মধারয় সমাস বলে। এখানে সাধারণ ধর্ম রাঙা হলেও তা অরুণের ক্ষেত্রে পূর্ণমাত্রায় প্রযোজ্য, তাই এটি উপমিত কর্মধারয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: কর্মধারয় সমাসে বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলনে নতুন পদ গঠিত হয় এবং পরপদের অর্থ প্রধান থাকে। উপমিত কর্মধারয় সমাসে সাধারণ ধর্ম উল্লেখ থাকে না, তবে ব্যাসবাক্যে সাধারণ ধর্ম মাঝখানে বসে এবং সমস্ত পদে তা শেষে থাকে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চন্দ্রমুখ ব্যাখ্যা: এর ব্যাসবাক্য হলো চন্দ্রের ন্যায় মুখ, যা উপমিত কর্মধারয় সমাসের একটি ক্লাসিক উদাহরণ। উদাহরণ ২: পুরুষসিংহ ব্যাখ্যা: এর ব্যাসবাক্য হলো পুরুষের সিংহের ন্যায়, যেখানে পুরুষের সাথে সিংহের তুলনা করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উপমিত কর্মধারয় — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে উপমেয় ও উপমানের তুলনা করা হয়েছে এবং সাধারণ ধর্ম পরে ব্যবহৃত হয়েছে। B) রূপক কর্মধারয় — রূপক কর্মধারয় সমাসে উপমেয় ও উপমানের মধ্যে অভিন্নতা বা কল্পিত রূপ বোঝায়, যা এখানে অনুপস্থিত। C) অলুক তৎপুরুষ — অলুক তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পায় না, কিন্তু অরুণরাঙা কোনো তৎপুরুষ সমাস নয়। D) উপমান কর্মধারয় — উপমান কর্মধারয় সমাসে সাধারণ ধর্ম সমস্ত পদে আগে থাকে এবং ব্যাসবাক্যে মতো শব্দটি মাঝে বসে, যা এই পদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: উপমিত চেনার সহজ উপায় হলো ব্যাসবাক্যের শেষে ন্যায় বা মতো শব্দ থাকে এবং সমস্ত পদে সাধারণ ধর্মটি শেষে বসে। অরুণরাঙা মানে অরুণের মতো রাঙা, এখানে উপমান ও উপমেয়র তুলনা স্পষ্টভাবে প্রকাশ পেয়েছে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কর্মধারয় সমাসের প্রকারভেদ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। উপমিত এবং উপমান কর্মধারয় সমাসের পার্থক্য বুঝতে ব্যাসবাক্যের গঠন এবং সাধারণ ধর্মের অবস্থান ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 181 0 0