প্রশ্নের বর্ণনা

a সীমার হোসেন (রাঃ) কে
b আলেয়া সিরাজকে
c কপালকুণ্ডলা নবকুমারকে
d উপরের কোনটিই নয়
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) কপালকুণ্ডলা নবকুমারকে ১. কেন সঠিক: - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কপালকুণ্ডলা উপন্যাসের একটি অত্যন্ত বিখ্যাত সংলাপ হলো পথিক তুমি পথ হারাইয়াছ। - সমুদ্রতীরে পথ হারানো নবকুমারকে উদ্দেশ্য করে রহস্যময়ী তরুণী কপালকুণ্ডলা এই কথাটি বলেছিল। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - উপন্যাসের লেখক ঊনবিংশ শতাব্দীর প্রথিতযশা কথাসাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। - কপালকুণ্ডলা বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক রোমান্টিক উপন্যাস যা ১৮৬৬ সালে প্রকাশিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কপালকুণ্ডলা উপন্যাস ব্যাখ্যা: এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের দ্বিতীয় ও একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ রোমান্টিক উপন্যাস। উদাহরণ ২: নবকুমার চরিত্র ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসের প্রধান পুরুষ চরিত্র হলো নবকুমার যিনি সপ্তগ্রামের এক যুবক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সীমার হোসেন (রাঃ) কে — এটি ইতিহাসের কোনো বিখ্যাত সংলাপ বা চরিত্র নয়। B) আলেয়া সিরাজকে — আলেয়া হলো বঙ্কিমচন্দ্রের কৃষ্ণকান্তের উইল উপন্যাসের একটি চরিত্র। D) উপরের কোনটিই নয় — যেহেতু অপশন সি সঠিক তাই এটি ভুল। ৫ মনে রাখার টিপস: - বঙ্কিমচন্দ্রের প্রথম সার্থক রোমান্টিক উপন্যাস কপালকুণ্ডলা এবং এর বিখ্যাত সংলাপ পথিক তুমি পথ হারাইয়াছ। - চরিত্র মনে রাখার কৌশল হলো কপালকুণ্ডলা উপন্যাসের প্রধান দুই চরিত্র কপালকুণ্ডলা ও নবকুমার। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপন্যাসের বিখ্যাত উদ্ধৃতি প্রায়ই আসে। - চরিত্র ও লেখকের নাম ভালোভাবে মনে রাখা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0