প্রশ্নের বর্ণনা

a হরতন
b রুইতন
c তুরুপ
d উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) উপরের সবগুলো ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত শব্দগুলো তাস খেলার সঙ্গে সম্পর্কিত এবং এর সবগুলোই ওলন্দাজ ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। - ওলন্দাজ বা ডাচ বণিকদের মাধ্যমে বাংলায় এই শব্দগুলো প্রবেশ করেছে এবং বর্তমানে বাংলা ভাষার শব্দভান্ডারে স্থায়ীভাবে স্থান করে নিয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত শব্দগুলোকে উৎসের দিক থেকে পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হয়, যেমন তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি এবং বিদেশি শব্দ। - বিদেশি শব্দের একটি বড় অংশ বিভিন্ন ইউরোপীয় ভাষা থেকে এসেছে, যার মধ্যে ওলন্দাজ বা ডাচ ভাষা অন্যতম। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ইস্কাপন ব্যাখ্যা: এটিও একটি ওলন্দাজ শব্দ যা তাস খেলার সময় ব্যবহৃত হয় এবং বাংলা ভাষায় বিদেশি শব্দ হিসেবে গৃহীত হয়েছে। উদাহরণ ২: রতন ব্যাখ্যা: তাস খেলার বিভিন্ন চাল বা পদের নাম বোঝাতে এই ওলন্দাজ শব্দগুলো বাংলা ভাষায় বহুল ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) হরতন — এটি একটি সঠিক ওলন্দাজ শব্দ হলেও শুধু এই একটি অপশন সঠিক নয়, কারণ বাকি দুটি শব্দও ওলন্দাজ ভাষা থেকে এসেছে। B) রুইতন — এটিও একটি ওলন্দাজ শব্দ এবং প্রশ্নের সঠিক উত্তরের অন্তর্ভুক্ত, কিন্তু অন্যান্য অপশনগুলোও সঠিক হওয়ায় এটি একা পূর্ণ উত্তর হতে পারে না। C) তুরুপ — এটি ওলন্দাজ শব্দ হলেও কেবল এটিই একমাত্র উত্তর নয়, কারণ হরতন এবং রুইতন শব্দ দুটিও ওলন্দাজ ভাষার অন্তর্গত। D) উপরের সবগুলো — এই অপশনটি সঠিক কারণ হরতন, রুইতন এবং তুরুপ তিনটি শব্দই ওলন্দাজ ভাষার শব্দ। ৫ মনে রাখার টিপস: - ওলন্দাজ শব্দ মনে রাখার সহজ কৌশল হলো তাস খেলার নামগুলো যেমন হরতন, রুইতন, তুরুপ, ইস্কাপন এবং টেক্কা মনে রাখা। - এছাড়া হাতুড়ি, হরতন, রুইতন, তুরুপ এই শব্দগুলো ডাচ বণিকদের সংস্কৃতির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ বিশেষ করে ওলন্দাজ, পর্তুগিজ ও ফারসি শব্দের উৎস প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়। - তাস খেলার নামগুলো সাধারণত ওলন্দাজ শব্দ হয়ে থাকে, এই সাধারণ ধারণাটি মনে রাখলে সহজে উত্তর করা সম্ভব।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0