প্রশ্নের বর্ণনা

a বিভক্তি
b প্রত্যয়
c অব্যয়বাচক শব্দ
d উপসর্গ
0 11 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অব্যয়বাচক শব্দ ১. কেন সঠিক: অনুসর্গ মূলত এক ধরণের অব্যয়বাচক শব্দ যা বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের পরে বসে শব্দটির কারক বোঝাতে সাহায্য করে। বাংলা ব্যাকরণে এই শব্দগুলোকে কর্মপ্রবচনীয় বা অনুসর্গ বলা হয় যা বাক্যের অর্থের রূপ পরিবর্তনে বিশেষ ভূমিকা পালন করে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: যেসব শব্দ স্বাধীন পদ হিসেবে না বসে কোনো শব্দের পরে বসে কারক বা সম্বন্ধ পদ বোঝাতে সাহায্য করে তাদের অনুসর্গ বলে। অনুসর্গগুলো মূলত বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের পরে বসে এবং বাক্যের ভাব স্পষ্ট করতে সাহায্য করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জনের পর জন এল। ব্যাখ্যা: এখানে 'পর' একটি অনুসর্গ যা 'জন' পদের পরে বসে ধারাবাহিকতা বোঝাচ্ছে। উদাহরণ ২: দেশের তরে জীবন দাও। ব্যাখ্যা: এখানে 'তরে' অনুসর্গটি 'দেশ' শব্দের পরে বসে নিমিত্ত কারক বোঝাচ্ছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বিভক্তি — বিভক্তি হলো বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি যা শব্দের সাথে যুক্ত হয়ে পদ গঠন করে, কিন্তু অনুসর্গ স্বাধীন শব্দ হিসেবে বসে। B) প্রত্যয় — প্রত্যয় মূল শব্দ বা ধাতুর সাথে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে, যা অনুসর্গের কাজ নয়। C) অব্যয়বাচক শব্দ — এই অপশনটি সঠিক কারণ অনুসর্গ স্বাধীনভাবে অব্যয় হিসেবে কাজ করে। D) উপসর্গ — উপসর্গ শব্দের শুরুতে বসে নতুন শব্দ তৈরি করে, আর অনুসর্গ শব্দের পরে বসে। ৫ মনে রাখার টিপস: অনুসর্গ মানে অনু অর্থাৎ পরে সর্গ অর্থাৎ সৃষ্টি বা বসা, অর্থাৎ যা সবসময় শব্দের পরে বসে। মনে রাখবে উপসর্গ বসে পূর্বে আর অনুসর্গ বসে পরে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই অনুসর্গের অপর নাম বা কাজ সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। অনুসর্গগুলো সাধারণত স্বাধীন অব্যয় পদ হিসেবে বাক্যে ব্যবহৃত হয়।

Leave a Comment

এই বিষয়ে আরও প্রশ্ন

a কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ
b চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো
c সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
d বোঝার উপরে শাকের আঁটি
0 161 0 0
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে ১. কেন সঠিক: - 'উভয়কুল রক্ষা' বা উভয় পক্ষের স্বার্থ ঠিক রেখে কোনো কাজ সম্পন্ন করা বোঝাতে 'সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে' প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। - প্রবচনটির আক্ষরিক অর্থ হলো এমনভাবে সাপ মারা যেন লাঠিটি না ভাঙে, যা রূপক অর্থে কোনো ক্ষতি বা কষ্ট ছাড়া উদ্দেশ্য সাধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ভাষার একটি প্রচলিত প্রবাদ বা প্রবচন, যা মানুষের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার ফলস্বরূপ সৃষ্টি হয়েছে। - প্রবচনগুলো বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বক্তব্যের ভাবকে সুন্দর, সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোরও পালাবে, আবার মালও বাঁচবে। ব্যাখ্যা: এটি একই রকম আরেকটি প্রবচন যা উভয়পক্ষের ক্ষতি এড়ানোর কৌশল বোঝায়। উদাহরণ ২: দুধও থাকে, তলাও পোড়ে না। ব্যাখ্যা: এটি এমন পরিস্থিতি বোঝায় যেখানে কোনো পক্ষেরই ক্ষতি হয় না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কারো পৌষ মাস, কারও সর্বনাশ — এই প্রবচনটির অর্থ একজনের সৌভাগ্য বা লাভের বিপরীতে অন্যজনের চরম ক্ষতি হওয়া। B) চাল না চুলো, ঢোকা না কুলো — এই প্রবচনটির অর্থ অত্যন্ত দরিদ্র বা সহায়সম্বলহীন অবস্থা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। D) বোঝার উপরে শাকের আঁটি — এই প্রবচনটির অর্থ অতিরিক্ত বোঝা বা নতুন বিপদের ওপর আরও একটি বিপদ আসা। ৫. মনে রাখার টিপস: - উভয়কুল রক্ষার ক্ষেত্রে মনে রাখবেন সাপ এবং লাঠি উভয়কেই বাঁচাতে হয়, তাই সাপও মরে লাঠিও না ভাঙ্গে প্রবচনটি সঠিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারা ও প্রবচনের অর্থ প্রায়ই আসে, তাই এগুলোর অন্তর্নিহিত ভাব ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
a যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
b অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
c নাচতে না জানলে উঠান বাঁকা
d যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়
0 180 0 0